ওয়েবডেস্ক: জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬-৬.৫ শতাংশে টেনে নিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে শুক্রবার পেশ করা অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্টে। চলতি বছরে ৫ শতাংশ সীমাবদ্ধ থাকলেও আগামী ২০২০-২১ অর্থবর্ষে উচ্চতর জিডিপি বৃ্দ্ধির লক্ষ্যপূরণে একাধিক পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন সরকার।

কেন্দ্রীয় বাজেটে সরকার নিজের আর্থিক ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা শিথিল করবে বলেই আশা করা হচ্ছে। কারণ, চলতি বছরে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে রাজস্ব আদায় হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার জন্য কর সংক্রান্ত সংস্কারের লক্ষ্য নিতে পারে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্ট ২০১৯-২০ তৈরি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যনের নেতৃত্বে। তিনি অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার বাড়াতে সম্পদ সৃষ্টির উপরেই জোর দেওয়ার অভিমত প্রকাশ করেছেন। সম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমেই চলতি বছরে বিস্তৃত সুরাহা হয়েছে।

একই সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি সরকারি ভরতুকির প্রাসঙ্গিকতাও তুলে ধরেছেন। বিশেষত খাদ্যদ্রব্যের উপর সরকারি ভরতুকির গুরুত্বের কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, সরকারি যদি বাজার দরের থেকে কম মূল্যে খাদ্য শস্য বিতরণ করে, তা হলে মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা যাবে।

এ ব্যাপারে পরিসংখ্যান-সহ তিনি জানিয়েছেন, শেষ বছরে ২০১৯-২০ আর্থিক বছরের বাজেটে ১.৮৪ লক্ষ কোটি টাকার ভরতুকি নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই ভরতুকির পরিমাণকে ৩ লক্ষ কোটিতে নিয়ে যেতে হবে।

অন্য দিকে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার হাল ফেরাতেও বিশেষ পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে অর্থনৈতিক সমীক্ষায়। বলা হয়েছে, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীরা নিজেদের অবিক্রিত নির্মাণ বিক্রি করার জন্য দর কমাতে পারেন। এর ফলে বিক্রি বাড়বে। ব্যাঙ্ক-সহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তাঁদের নেওয়া ঋণেরও অনেকটা পরিশোধ হয়ে যাবে।

বাণিজ্যিক বিষয়ে অবশ্য সমীক্ষায় বিশ্ববাণিজ্যের উপর অনেকটা অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছে। বিশ্ববাণিজ্যে যে টানাপোড়েন চলছে, ভারতের রফতানি ক্ষেত্রেও তার প্রভাব বজায় থাকা স্বাভাবিক।

আরও পড়ুন: পেশ হল অর্থনৈতিক সমীক্ষা, সাহসী পদক্ষেপ নির্মলার

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন