সুপ্রিম কোর্টের নতুন বিচারপতি নিয়োগে কলেজিয়ামের সিদ্ধান্তে অনুমোদন রাষ্ট্রপতির

দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং কর্নাটক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর পদোন্নতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কলেজিয়াম।

0

নয়াদিল্লি: বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং দীনেশ মাহেশ্বরীকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিপদে নিয়োগের সম্মতি দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

সুপ্রিম কোর্টে শূন্যপদে নিয়োগ না হওয়ার কারণ হিসাবে তুলে ধরা হচ্ছিল সরকারের সঙ্গে সু্প্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের দ্বিমত পোষণ। কলেজিয়ামের সিদ্ধান্ত মতেই বিচারপতিদের নিয়োগ এবং পদোন্নতি স্থির হয়ে থাকে। তবে কলেজিয়ামের প্রস্তাব নিয়েই এ বার বিরূপ মনোভাব পোষণ করেছিলেন বিচারপতিদের একাংশ। কিন্তু বুধবার রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে সেই বিতর্কে আপাতত যবনিকা পড়ল।

দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং কর্নাটক হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর পদোন্নতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কলেজিয়াম। উল্টো দিকে কলেজিয়ামের সিদ্ধান্তে পদন্নোতি থমকে যায় রাজস্থান হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রদীপ নন্দরাজোগ ও দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রাজেন্দ্র। এমন সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।

[ আরও পড়ুন: ‘অপারেশন লোটাস’! ঘরে ফিরলেন কর্নাটকের ‘নিখোঁজ’ কংগ্রেস বিধায়ক ]

উল্লেখ্য, বেশ কয়েক বছর ধরেই অভিযোগ, মেমোরেন্ডাম অব প্রসিডিউর বা এমওপি-র বিতর্কে দাঁড়ি টানা না গেলে নতুন নিয়োগ থমকে যাচ্ছে। শুধু এমওপি বাধা নয়, গত ২০১৫-তেই এনডিএ সরকারের মস্তিষ্কপ্রসূত ন্যাশনাল জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্টস কমিশনকে একটি রায়ে অবৈধ হিসাবে আখ্যা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। পাশাপাশি বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ না করে এমওপি-র মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ার রূপরেখা তৈরি করা হোক।

সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে সহমত হয়ে প্রথম খসড়া এমওপি পাঠানো হয় ২২ মার্চ, ২০১৬। সুপ্রিম কোর্ট এর প্রত্যুত্তর পাঠায় ওই বছরের ২৫ মে এবং ১ জুলাই। আগস্টের ৩ তারিখে সরকার পুনরায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, একটি পৃথক পরিচালন মণ্ডলী, যোগ্যতামান এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে আলোকপাত করে। সব কিছুর গুরুত্ব বিচার করে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম চুড়ান্ত খসড়াটি প্রেরণ করে ১৩ মার্চ ২০১৭। কিন্তু সেটিও সরকারের বিবেচনায় বাতিল হয়ে যায়।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন