‘এক দেশ, এক কর’ ব্যবস্থার পথে আরও এগিয়ে গেল ভারত। ওড়িশা ষোড়শ রাজ্য হিসাবে জিএসটি বিল তথা সংবিধান (১২২তম) সংশোধনী বিলে সম্মতি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিল আইন হওয়ার পথে আর একটি ধাপই বাকি রইল। সেটি হল রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর।

দেশ জুড়ে নতুন করব্যবস্থা চালু করার দিন ধার্য করা হয়েছে ২০১৭ সালের ১ এপ্রিল। তার আগে সব প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে হবে। লোকসভায় ও রাজ্যসভায় এই সংবিধান সংশোধনী বিল গৃহীত হওয়ার পর একে আইনে পরিণত করার জন্য দরকার ছিল ১৬টি রাজ্যের সম্মতি। বৃহস্পতিবার ওড়িশা বিধানসভায় জিএসটি বিল অনুমোদিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সম্পূর্ণ হল ১৬টি রাজ্যের সম্মতি পাওয়া। কেন্দ্রীয় রাজস্ব সচিব হসমুখ আধিয়া টুইট করে জানিয়েছেন, “ওড়িশা বিধানসভায় জিএসটি সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল অনুমোদিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ন্যূন পক্ষে ৫০ শতাংশ রাজ্যের অনুমোদন পাওয়া সম্পূর্ণ হল।” আরও একটি টুইটে তিনি বলেছেন, “এটা জানিয়ে আনন্দ পাচ্ছি যে জিএসটি চালু করার ব্যাপারে আমাদের নির্ধারিত সময়সূচির আগেই আমরা চলেছি। রাজ্যগুলির অনুমোদনের জন্য ৩০ দিন ধরা ছিল। ২৩ দিনের মধ্যেই এই কাজ সম্পন্ন হয়েছে।”

বুধবার গোয়া বিধানসভায় জিএসটি বিল পাশ হয়। আর এই বিল প্রথম পাশ করে অসম। গত ৮ আগস্ট সংসদে এই সংবিধান সংশোধন বিল পাশ হয়েছিল।

রাষ্ট্রপতি সংবিধান সংশোধন বিলে সম্মতি দেওয়ার পর কেন্দ্রকে কেন্দ্রীয় জিএসটি (সিজিএসটি) এবং সুসংহত জিএসটি (আইজিএসটি) আইন প্রণয়ন করতে হবে। তবে  এই সব আইন সংক্রান্ত বিল নভেম্বরে সংসদে আসার আগে জিএসটি-র হার, করের বিভিন্ন ধাপ এবং কোন কোন পণ্য ও পরিষেবা ছাড় পাবে ইত্যাদি বিষয়ে রাজ্যগুলির অর্থমন্ত্রীদের একমত হতে হবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং ৩১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত জিএসটি কাউন্সিলে জিএসটি-র হার অনুমোদন করাতে হবে। আর রাজ্যগুলিকেও রাজ্য জিএসটি (এসজিএসটি) আইন প্রণয়ন করতে হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here