সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে নাম না করে পাকিস্তানকে তীব্র কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

চিনের হাংঝৌতে জি-২০ সামিটের সমাপ্তি অধিবেশনে মোদী বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে। পাকিস্তানের নাম না করলেও তাঁর ইঙ্গিত যে ভারতের পড়শি এই দেশের বিরুদ্ধেই ছিল তা বলাই বাহুল্য।

সমাপ্তি অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয়। এটা তাদের রাষ্ট্রনীতি। তাদেরকে বিছিন্ন করে দেওয়া উচিত”। মোদীর কথায়, “ভারত মনে করে বিশ্বের সবক’টি দেশ সন্ত্রাসবাদের গুরুত্ব বুঝে এক জোট হয়ে লড়াই করবে”। মোদী আরও বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। একজন সন্ত্রাসবাদী আমাদের কাছে সন্ত্রাসবাদীই”।

উল্লেখ্য, রবিবারই চিনা রাষ্ট্রপতি জি জিনপিং-এর সাথে দেখা করে পাকিস্তানের ‘সন্ত্রাসবাদ নীতির’ ব্যাপারে আপত্তি তোলেন মোদী এবং জিনপিংকে জানান পাকিস্তানের সাথে চিনের বন্ধুত্ব যেন সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে কোনও বাধা না সৃষ্টি করে। এ ছাড়াও রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন আর অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ম্যালকম টার্নবুলের সাথেও সন্ত্রাসবাদ নিয়েই কথা হয় মোদীর।    

প্রধানমন্ত্রী এ দিন বলেন, সন্ত্রাসবাস গোটা বিশ্বের কাছেই প্রধান চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসবাদ এখনই দমন না করা হলে আগামী দিনে গোটা বিশ্বকে বিশাল সমস্যার মুখে পড়তে হবে। তবে তিনি এ-ও বলেন যে সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করার জন্য জি-২০-এর ভূমিকা প্রশংসনীয়।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র সাথেও দেখা করেন মোদী। দু’জনের মধ্যেই সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ বলেন, “মোদী আর মে’র মধ্যে সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদের ব্যাপারে তিনিও বেশ চিন্তিত বলে জানিয়েছেন মে”।

জাপানের সমর্থন ভারতকে।

নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে (এনএসজি) ভারতের অন্তর্ভুক্তির দাবিকে জোরালো সমর্থন জানাল জাপান। জাপানের মতে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ আরও জোরদার করার জন্য ভারতকে এনএসজিতে প্রয়োজন। জাপানের বিদেশ মন্ত্রকের অন্তর্গত ‘প্রেস ও পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি’র ডিরেক্টর ইয়াসুহিসা কাওয়ামুরা বলেন, “এই ব্যাপারে আমরা ভারতের সাথে কাজ করতে আগ্রহী এবং আমরা মনে করি এনএসজিতে ভারতের অন্তর্ভুক্তি নিরস্ত্রীকরণে আরও সাহায্য করবে”। 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here