রণক্ষেত্র লখনউ, বাস-বাইকের সঙ্গেই জ্বালিয়ে দেওয়া হল পুলিশ ফাঁড়ি

0
ছবি: জাগরণ থেকে

ওয়েবডেস্ক: বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ফলে উত্তরপ্রদেশের লখনউতে বড়ো ধরনের অশান্তি ছড়াল বৃহস্পতিবার। এ দিন বিক্ষোভকারীরা তাণ্ডব চালিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ে মারে, যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পুলিশ ফাঁড়িতেও ভাঙচুর চালিয়ে সেটির দখল নিয়ে নেওয়া হয় বলে সাংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় এবং লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধ জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু বেশিরভাগ জায়গাতেই মুখে কাপড় বাঁধা কিছু মানুষ নিজেদের মতো করেই তাণ্ডব চালিয়ে যায়। রাস্তার ধারে থাকা মোটর বাইক, গাড়ির পাশাপাশি পুড়িয়ে দেওয়া হয় সরকারি বাস। রেহাই পায়নি সংবাদ মাধ্যমের গাড়িও। আগুন নেভাতে যাওয়া দমকলের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

এই সংঘর্ষের ঘটনাটি লখনউয়ের পুরনো শহর এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বিশাল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়ে মারে, মোটরবাইক ও গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পুলিশ ফাঁড়িতে লুঠপাট এবং ভাঙচুর চালানো হয়। বিনিময়ে পুলিশ কাঁদান গ্যাস ছুড়ে এবং লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের হঠানোর চেষ্টা করে।

তবে এরই মধ্যে মাদেগঞ্জের পুলিশ ফাঁড়িটিতে অগ্নিসংযোগের খবর পাওয়া যায়। পুলিশের দাবি, দুষ্কৃতীরা সেখানে গুলি চালায়।

যদিও পরিবর্তন চৌক, জিপিও পার্ক, হজরতগঞ্জের আম্বেদকর স্ট্যাচু, লক্ষ্মণ মেলা গ্রাউন্ড এবং ঝুলে লাল পার্ক – যেখানে সাধারণ দিনগুলিতে বিক্ষোভ করা হয় সেখানে প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন এবং ব্যারিকেড ছিল। হাসানগঞ্জের খড়ড়া এবং পুরনো শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় মহিলা-সহ অন্যান্যরা, বড়ো এবং ছোটো রাস্তাগুলিতে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে শামিল হন।

[ আরও পড়ুন: বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে আগুন যোগী-রাজ্যে, পুড়ল সরকারি বাস! ]

এ ব্যাপারে বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকায় দেখা যায় পুলিশকে। মুখে কাপড় বেঁধে লখনউয়ের রাস্তায় তাণ্ডব চলার শুরুতেই যদি পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া যেত, তা হলে পরিস্থিতি এতটা ভয়ানক হয়ে উঠত না।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন