‘সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না,’ সিধু শিবিরকে হুঁশিয়ারি দিলেন অমরিন্দর সিংহ

0
অমরিন্দর সিং এবং নভজ্যোত সিং সিধু। ছবি: এনডিটিভি থেকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: পঞ্জাব কংগ্রেসের অন্দরের আগ্নেয়গিরি ফের জ্বলে উঠল দিন কয়েক কিছুটা স্তিমিত থাকার পর। এর ফলে নতুন করে দ্বন্দ্বের আবহ মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংহ এবং পঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধুর মধ্যে।

জম্মু কাশ্মীরের মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে অবিবেচকের মতো মন্তব্য করার জন্য সিধুর দুই সহকারির ওপরে প্রবল চটেছেন অমরিন্দর।

রবিবার বিবৃতি জারি করে “দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সম্ভাব্য বিপজ্জনক এমন অকল্পনীয় মন্তব্য’ করার জন্য সিধুর দুই উপদেষ্টা প্যায়ারে লাল গর্গ এবং মালবিন্দর মালিকে সতর্ক করে দিয়েছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আর্জি, সিন্ধুকে পরামর্শ দেওয়ার কাজ করে যান প্যায়ারে এবং মালবিন্দর। এমন কোনো বিষয় নিয়ে মুখ খোলা উচিত নয়, যে বিষয়ে স্পষ্টত তাঁদের জ্ঞান নেই এবং তাঁদের মন্তব্যের কী প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।

“জম্মু-কাশ্মীর আলাদা দেশ”

কিছুদিন আগেই একটি সভায় কাশ্মীর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন মালি। তিনি বলেন জম্মু-কাশ্মীর আদতে আলাদা একটা দেশ, যে দেশে ভারত এবং পাকিস্থান উভয়েরই কোনো অধিকার নেই। অন্যদিকে, একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল যে অমরিন্দরের পাকিস্তান-বিরোধী অবস্থানের সমালোচনা করেছিলেন গর্গ।

এই খবর মুখ্যমন্ত্রীর কানে পৌঁছোতেই মালি এবং গর্গের ওপরে প্রবল চোটে যান তিনি। বিবৃতি জারি করে সাফ জানিয়ে দেন, “কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এ বিষয় ভারত এবং জাতীয় কংগ্রেসের যা অবস্থান, তার বিরোধী মন্তব্য করা হচ্ছে।”

তবে সমালোচনার পরেও নিজের মন্তব্য প্রত্যাহার করেননি মালি। বিষয়টিকে ‘দেশদ্রোহিতা’ আখ্যা দিয়েছেন অমরিন্দর।

কয়েক মাস ধরেই চলছে দ্বন্দ্ব

মাসখানেক আগে ঘরোয়া বিবাদ তুঙ্গে উঠেছিল পঞ্জাব কংগ্রেস। আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে হস্তক্ষেপ করতে হয় হাইকমান্ডকে। কৃষক আন্দোলন, এনডিএতে ভাঙনের মধ্যে যে সুবিধাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে ফায়দা তোলার জন্য পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটাতে তৎপরতা শুরু হয়েছিল।

সেই সঙ্গে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছিল যে সিধু এবং অমরিন্দরের মধ্যে দ্বন্দ্ব মিটিয়ে নিতে হবে। সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি করে দেওয়া হয়। এই বিষয়টি মানতে চাননি অমরিন্দর। এখনও তিনি যে মন থেকে সিধুর সভাপতিত্ব মেনে নিতে পারছেন না, তা মোটামুটি পরিষ্কারই হয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়তে পারেন

আফগানিস্তান থেকে বিতাড়িতদের ফেরাতে বড়োসড়ো পদক্ষেপ পেন্টাগনের

কেন দরকার সিএএ? আফগান সংকটের উল্লেখ করে ব্যাখ্যা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন