virat kohli

ওয়েবডেস্ক: সুসম্পর্কে অবশেষে ইতি! তা-ও আবার দীর্ঘ ১৬ বছরের!

virat kohli

আসলে, দুর্নাম জিনিসটা যে আগুনের মতো- তা কেবল হু-হু করে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। শুধু তা-ই নয়, বৃত্তে যে থাকে, তাকেও গ্রাস করে নেয় সহজেই। ফলে, বিচক্ষণ ব্যক্তিমাত্রই যে সেটা এড়িয়ে চলতে চাইবেন- সেটাই কি স্বাভাবিক নয়?

virat kohli

ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলিও হালফিলে পিএনবি বা পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের দিকে পিঠ ফিরিয়ে থাকার কথাই ভাবছেন। হাসি হাসি মুখে একদা তাঁর যে সব ফ্রন্ট ছবি আলো করে থেকেছে ব্যাঙ্কের নানা বিজ্ঞাপন, তা আপাতত চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর।

virat kohli

আসলে, বিরাট কোহলি-ই যে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর! খবর বলে, একের পর এক ঋণের মামলায় ব্যাঙ্ক যখন পর্যুদস্ত, তখন ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে তুলতে বিরাট কোহলিকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার প্রস্তাব দেন তাঁরা। বিরাটের রাজি না হওয়ার কারণও ছিল না। একে তো পঞ্জাব একটা আবেগের জায়গা হিসাবে কাজ করেছে, তা ছাড়া দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্টও রয়েছে কোহলির। ফলে বিজ্ঞাপনে ‘মেরা আপনা ব্যাঙ্ক’ বলে বিবৃতি এবং তার তলায় স্বাক্ষরও দেখা গিয়েছে বিরাটের।

virat kohli

কিন্তু আপাতত যে ভাবে নীরব মোদী সংক্রান্ত তদন্তে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক সম্পর্কে নানা নেতিবাচক খবর তৈরি হচ্ছে, তাতে এই ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্টের জায়গা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোহলি।

virat kohli

“বেশ কয়েক দিন হল জালিয়াতি মামলায় পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক খবরের শিরোনামে নিজেদের নাম তুলে ফেলেছে। এ ক্ষেত্রে এটা খুব স্বাভাবিক যে বিরাট কোহলি, যিনি কিনা ব্যাঙ্কের মুখ হিসাবে পরিচিত, তিনি এই নেতিবাচক বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে চাইবেন। কোনো বিখ্যাত ব্যক্তিত্বই যেমন যে সংস্থা নঞর্থক প্রচারের আলোয় আছে, তার সঙ্গে নিজেদের নাম জড়াতে চাইবেন না, বিরাটের ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে”, জানিয়েছেন তাঁর এক কাছের মানুষ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন