sho with radhe maa

নয়াদিল্লি: সাসপেন্ড হওয়া স্টেশন হাউস অফিসারের হয়ে সাফাই দিলেন রাধে মা।

“টয়লেট ব্যবহার করার জন্য আমি থানায় গিয়েছিলাম। আমি একটা খালি চেয়ার দেখে বসে পড়ি। আমি জানতাম না ওটা স্টেশন হাউস অফিসারের চেয়ার” – বিবেক নগর থানায় ওই ঘটনা ঘটার ২৪ ঘণ্টা পর এ কথা জানালেন ৪৮ বছরের সাধ্বী। রাধে মা আরও বলেন, এসএইচও তাঁকে হাতজোড় করে তাঁর চেয়ার ছেড়ে দিতে বলেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ওই চেয়ার ছেড়ে দেন।

বৃহস্পতিবার পূর্ব দিল্লির বিবেক বিহার থানায় পৌঁছোতেই রাধে মা-কে চেয়ার ছেড়ে সম্মান জানান স্টেশন হাউস অফিসার সঞ্জয় শর্মা। তিনি বিতর্কিত সাধ্বীর চুনরি গলায় জড়িয়ে হাত জোড় করে পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন। তাঁকে শুধু সসম্মানে স্বাগতই জানানো হয়নি, রীতিমতো পুষ্পস্তবক দিয়ে থানায় অভ্যর্থনা করা হয়। এই ঘটনার জেরে সাসপেন্ড হতে হয়েছে সঞ্জয়বাবুকে।

বৃহস্পতিবার তাঁর আচরণের ব্যাখ্যা দিয়ে বিতর্কিত সাধ্বী বলেন, “স্টেশন হাউস অফিসার আমাকে চিনতেনই না। আর দিল্লি পুলিশ বা স্টেশন হাউস অফিসারকে অসম্মান করার কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না।”

সম্মান জানিয়ে ভুল কী হয়েছে

সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, রাধে মা তাঁর নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যাপারে খোঁজখবর করার জন্য দুপুর ১টা নাগাদ থানায় আসেন। তার পরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের ডেপুটি কমিশনার তদন্তের নির্দেশ দেন। সে অনুসারে প্রথমে এসএইচও-কে ডিস্ট্রিক্ট লাইনস্‌-এ বদলি করা হয়। তার পরে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।

রাধে মা-কে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পুলিশের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের ব্যবস্থা নেওয়ায় ‘রাধে মা-র কেয়ারটেকার’ সঞ্জীব গুপ্তা এক বিবৃতিতে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, “টয়লেট ব্যবহার করার জন্য তিনি থানায় গিয়েছিলেন। পুলিশ যদি তাঁকে শ্রদ্ধা জানায়, তার মধ্যে ভুল কী আছে। তিনি আমাদের সকলের মা। এর জন্য পুলিশ অফিসারকে শাস্তির মুখে পড়তে হল দেখে আমরা হতাশ।”

তবে বিবেক নগর থানায় রাধে মা-র ভ্রমণ সংক্রান্ত যে ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে থানার পুলিশরা তাঁকে শুধু সম্মানই জানাননি, তাঁর সঙ্গে ভজনও গেয়েছেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here