‘স্বাধীনতা পরবর্তী সবচেয়ে বড় দুর্নীতি’, নোট বাতিল নিয়ে বললেন মমতা

0

নয়াদিল্লি:  কেন্দ্রের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিরোধী দলগুলোকে একজোট হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। মঙ্গলবার ছিল তারই সাংবাদিক বৈঠক। নীতীশ কুমারের দল জেডিইউ, শরদ পাওয়ারের ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস দল এবং বামেরা যে যোগ দিচ্ছেন না, জানিয়ে দিয়েছিলেন আগেই। মঙ্গলবারের বৈঠকে দেখা গেল না উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টির কোনো প্রতিনিধিকেও। কংগ্রেস সহ সভাপতির পাশের আসনে বসে মোদী-বিরোধিতায় সরব হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন রাহুল গান্ধী এবং মমতা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের বিমুদ্রাকরণের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “দেশকে ‘ক্যাশলেস’ করতে গিয়ে ‘বেসলেস’ হয়ে গিয়েছে সরকার। এটাই কী মোদীর ‘আচ্ছে দিন’?” রাহুল গান্ধী বলেন, সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিল, তা ব্যাখ্যা করতে হবে সাধারণ মানুষের কাছে। সমালোচনার সুর আরও একধাপ চড়িয়ে নোট বাতিলকে স্বাধীনতার পরের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি হিসেবে চিহ্নিত করলেন মমতা। বললেন, ৫০ দিনেই দেশ প্রায় ২০ বছর পিছিয়ে গিয়েছে।

গত সপ্তাহেই রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মোদী ঘুষ নিয়েছেন সাহারা গোষ্ঠীর থেকে। সেই প্রসঙ্গ টেনে রাহুল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমি যা জানতাম, প্রকাশ করায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী, ওনার মুখ দেখলেই বোঝা যাচ্ছে সেটা”।

সরকার পক্ষ থেকে আরও একবার রাহুলের মন্তব্যকে ‘অপরিণত’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হল এই দিন। বিজেপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন, “বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেও সারা দেশ মোদীর পাশেই রয়েছে। তাহলে নোট বাতিলের সিদ্ধান্তে কাদের অস্বস্তি হচ্ছে, সেটা পরিস্কার হল এবার”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.