west bengal congress leaders

নয়াদিল্লি: দলের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকে পূর্বনির্ধারিত ভাবেই আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গেল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। শুক্রবার নয়াদিল্লির রেকবগঞ্জ রোডের দলীয় কার্যালয়ের ওই বৈঠকে যোগ দিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব তুলে ধরলেন নিজেদের বক্তব্য।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে প্রদেশ সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী জানান, “রাহুল গান্ধী প্রত্যেক নেতার কাছ থেকেই পৃথক ভাবে তাঁদের মত জানতে চান। এমনকি আমিও তাঁর কাছে নিজস্ব মত ব্যক্ত করেছি। আশা করি সবার বক্তব্য শোনার পর তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তা রাজ্যে কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে”। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে হাইকম্যান্ডের নির্দেশই মেনে চলা হবে।

তবে বৈঠকে যোগ দেওয়া অন্যান্য নেতৃত্বের মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন ধরা পড়েছে তাঁদের বক্তব্যেই। সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরি বা বিধায়ক মইনুল হক আগামী লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে জোটের পক্ষেই সওয়াল করেছেন রাহুলের কাছে। তাঁদের মত, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-কে রুখতে তৃণমূলের সঙ্গেই জোট করা প্রয়োজন। মইনুল বলেন, “আমরা দলের মুখ্য নেতার কাছে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল স্তরের মন্তব্যই তুলে ধরেছি”।

আরও পড়ুন: সংগঠনের ভাঙন রোধ না কি লোকসভা নির্বাচন, কোন দিকে যাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস?

কিন্তু বিধায়ক মনোজ চৌধুরী বা প্রাক্তন সাংসদ দীপা দাশমুন্সি তৃণমূলের সঙ্গে জোটের বিরোধিতায় সরব হন। তাঁদের মতে, হাইকম্যান্ড চাইলে গত ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের মতোই বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করা যেতে পারে। কিন্তু তৃণমূলের সঙ্গে কোনো মূল্যেই জোট অসম্ভব। এ ব্যাপারে তাঁরা টেনে নিয়ে আসেন ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ। সে বার তৃণমূলের সঙ্গে জোট সরকার গঠনের পর কংগ্রেস বাধ্য হয় সরকার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here