rahul gandhi mamata banerjee

ওয়েবডেস্ক: সোমবার শরদ পওয়ারের বাড়িতে বিরোধীদের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী বৈঠকে কেন তৃণমূল নেই, এই ব্যাপারে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়তে শুরু করে। এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বৃহস্পতিবার সনিয়া গান্ধীর বাসভবনে যে বিরোধী বৈঠক ডাকা হয়েছে সেখানেও তৃণমূল থাকবে কি না।

কেন সোমবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিল না তৃণমূল? এই ব্যাপারে স্পষ্ট কারণ না জানা গেলেও, বিরোধী জোটের নেতৃত্ব যে তৃণমূলের পছন্দ নয় সে ব্যাপারে একটা আন্দাজ করা গিয়েছে। বিরোধী নেতা হিসেবে রাহুল গান্ধী তৃণমূল তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ্য নন, সে ইঙ্গিত দিয়েছে তৃণমূল।

তা হলে কাকে পছন্দ? যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের এমন একজনকে পছন্দ যিনি বিরোধী বৈঠকে সব সময়ে উপস্থিত থাকেন না। তিনি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। কেন তাদের পছন্দের প্রার্থী নবীন, সে ব্যাপারে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়ান বলেছেন, “২০১৯-এর নির্বাচনের জন্য এমন একজনকে নেতা দরকার যার যোগ্যতা প্রশ্নাতীত। তিনি হবেন অবিসংবাদিত নেতা। বর্তমানে কোনো এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে হবে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় থাকার অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। এ ছাড়া এক’দু দশক ধরে সাংসদপদে থাকতে হবে তাঁকে।”

ডেরেকের এই কথা শুনেই বোঝা যায়, কী ইঙ্গিত করতে চাইছেন তিনি। রাহুল গান্ধী কখনও মুখ্যমন্ত্রী হননি, শরদ পওয়ার অনেক দিন আগে মুখ্যমন্ত্রীর পদ সামলেছেন। নীতীশ কুমার জোট বদল করার পরে এখন পছন্দের প্রার্থী হিসেবে পড়ে রইলেন দু’জন। এক, নবীন পট্টনায়ক, যিনি বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে।

উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার পর থেকে বিরোধী জোটে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। যতই সনিয়ার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাক, কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার পরে রাহুলকে অভিনন্দন জানাননি মমতা। এর পরেই তৃণমূলকে বিরোধীদের ধর্নাতেও বিশেষ দেখা যায় না।

এ দিকে তৃণমূল সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথম তিন সপ্তাহে অনেক কর্মসূচি রয়েছে, তাই বৃহস্পতিবারের বিরোধী বৈঠকেও তৃণমূলের হাজির থাকার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন