rahul gandhi in midnight candlelight march

ওয়েবডেস্ক: রাহুল গান্ধীর ডাকে রাজধানীতে মধ্যরাতে মোমবাতি মিছিল ও সমাবেশ করলেন হাজার হাজার মানুষ। রাত ১২টায় তাঁরা হাজির হন ইন্ডিয়া গেটে। কাথুয়া ও উন্নাওয়ে গণধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে এই মধ্যরাত্রি-জাগরণের ডাক দেওয়া হয়েছিল। অত্যন্ত স্বল্প সময়ে টুইটের মাধ্যমে রাহুল এই সমাবেশের ডাক দেওয়ার পর ইন্ডিয়া গেটে যে জমায়েত হয়েছিল তা দেখার মতো।

মধ্যরাতে সমাবেশের ডাক দিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টুইট করে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “লক্ষ লক্ষ ভারতবাসীর মতো আজ রাতে আমার হৃদয় বেদনা বোধ করছে। নারীদের প্রতি যে আচরণ করা হচ্ছে তা ভারত কখনও চালিয়ে যেতে পারে না।”

প্রতিবাদস্থলে পৌঁছে রাহুল বলেন, “কাথুয়া ও উন্নাওয়ের ঘটনা জাতীয় ইস্যু, এগুলো রাজনৈতিক ইস্যু নয়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের দেশের নারীদের অবস্থার বিষয়টি। সব দলের মানুষই এখানে জড়ো হয়েছেন। একটার পর একটা ঘটনা ঘটছে, যেখানে নারী ও শিশুরা ধর্ষিত হচ্ছে, খুন হচ্ছে। নারীদের ওপর আক্রমণ যে ভাবে বাড়ছে, তা বন্ধ করতে সরকারকে ব্যবস্থা নিতেই হবে।”

ওই সমাবেশে কংগ্রেস সভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রিয়ঙ্কা বডরা, রবার্ট বডরা, কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, দিগ্বিজয় সিং, অম্বিকা সোনি, সলমন খুরশিদ, কপিল সিব্বল, অশোক গহলৌত সহ দলের প্রায় সব শীর্ষ নেতা।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির অফিস থেকে তাঁরা মিছিল করে ইন্ডিয়া গেটে হাজির হন। সেখানে আগে থেকেই অসংখ্য মানুষ উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেস সমর্থকরা ছাড়াও হাজির হন বহু মানুষ যাঁদের সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই।

সমাবেশে গুলাম নবি আজাদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ‘বেটি পড়াও, বেটি বঁচাও’ স্লোগান দিয়েছেন। অথচ তাঁর আমলে মেয়েদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। ধর্ষণে অভিযুক্তদের বাঁচানোর জন্য যে সব মন্ত্রী চেষ্টা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী।

রাত ১টার পর পুলিশ সমবেত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন