ছোটো স্টেশনে মেট্রো রেলের মতো স্বয়ংক্রিয় দরজা চালুর পথে ভারতীয় রেল

0
591

ওয়েব ডেস্ক: এবার মেট্রো রেলের পথে হাঁটতে চলেছে ভারতীয় রেল। বড়ো শহরের স্টেশনগুলি বাদ দিয়ে ছোটো স্টেশনগুলিতে(যেখানে ভিড় কম) মেট্রো রেলের মতো বারকোড যুক্ত স্বয়ংক্রিয় ফ্ল্যাপ গেট বসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। টিকিট পরীক্ষার প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং এবং টিকিট পরীক্ষকদের ওপর থেকে চাপ কমাতেই এই পরিকল্পনা রেলের।

কলকাতা ও দিল্লি মেট্রোতে চালু রয়েছে এই ধরনের দরজা। ‘অ্যাকসেস কন্ট্রোল সিস্টেম’-এর মাধ্যমে এই দরজাগুলিতে বারকোড পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে। এর জন্য আলাদা করে টিকিট পরীক্ষকের প্রয়োজন হয় না।

পাইলট প্রকল্প হিসেবে দিল্লি ডিভিশনের ব্রার স্কোয়ার স্টেশনে এই দরজা বসাতে চলেছে রেলের সফটওয়ার বিভাগ ক্রিস(CRIS)। আগামী তিনমাসের মধ্যেই ওই স্টেশনে এই দরজা বসানোর কাজ শেষ হবে। যাতে কোনো যাত্রী টিকিট নিয়ে চলে যেতে না পারেন, তার জন্য পুরো স্টেশন চত্বরকে তার দিয়ে ঘেরাও চলছে। রেলে টিকিট পরীক্ষকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। সেই সমস্যার সমাধান এই প্রক্রিয়ায় হবে বলে মনে করছে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ।

এই পদ্ধতিতে যাত্রীরা হাতে যে টিকিটটি পাবেন, তাতে QR কোড দেওয়া থাকবে। সংশ্লিষ্ট স্টেশনে ঢোকা বা বেরোনোর সময় ফ্ল্যাপ-গেট টিকিটটি যাচাই করে নেবে। মনে করা হচ্ছে, ভিড়ের সময় ওই দরজা যাত্রী চলাচলকে আরও গতি দেবে।

স্বয়ংক্রিয় জরজা ছাড়াও এই ধরনের টিকিট যাত্রীদের দেওয়ার জন্য বার স্কোয়ার স্টেশনে আলাদা টিকিট কাউন্টারও হচ্ছে।

কলকাতা এবং দিল্লি মেট্রোয় এই ধরনের দরজার ব্যবহার সফল হলেও ভারতীয় রেলে প্রথম এই দরজা ব্যবহার হতে চলেছে। তবে মেট্রো রেলের স্টেশনগুলি মাটির নীচে কিংবা সমতল থেকে ওপরে হয়। রেল স্টেশন কিন্তু থাকে সমতলে এবং স্টেশনগুলি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা থাকেনা।

এক রেল কর্তা বলেছেন, ব্রার স্কোয়ার স্টেশনে খুব কম যাত্রী চলাচল হয় বলেই ওই স্টেশনটিকে পাইলট প্রোজেক্টের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।

ওই স্টেশনে স্বয়ংক্রিয় দরজা বসাতে খরচ হবে ৪ লক্ষ টাকা।

 

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here