বৃষ্টি বিপর্যয় লাইভ: হাওড়া-হুগলিতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি, ঝড়বৃষ্টি বীরভূম-মুর্শিদাবাদে

0
বৃহস্পতিবার সকালে উদয়নারায়ণপুরের রাজাপুর অঞ্চল। ছবি: অনির্বাণ ঘোষ

ওয়েবডেস্ক: বিহার, বাংলা-সহ দেশ জুড়ে কী ভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছে ভয়াবহ বর্ষণ, তা দেখার জন্য চোখ রাখুন লাইভ আপডেটে।

===========================================

৩ অক্টোবর ২০১৯

***** সকাল দশটার আপডেট

বীরভূম আর মুর্শিদাবাদের কিছু অঞ্চলে আগামী দু’তিন ঘণ্টায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া দফতর। এ দিন সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে।

***** সকাল সাড়ে আটটার আপডেট

হাওড়া এবং হুগলিতে বন্যা পরিস্থিতির বেশ কিছুটা উন্নতি লক্ষ করা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, উদয়নারায়ণপুরের রাজাপুর-সহ বেশ কিছু অঞ্চলে নতুন করে আর জল আসছে না। মূল সড়ক থেকেও জল নেমে গিয়েছে। তবে রাস্তার নীচের জমি এবং মাঠ এখনও জলমগ্ন। ফলে ওই নিচু জায়গায় যে সব বাড়ি রয়েছে সেগুলিও জলমগ্ন।

বীরভূমে বন্যা পরিস্থিতির কোনো অবনতি না হলেও মালদা এবং মুর্শিদাবাদে এখনও নতুন করে বেশ কিছু জায়গা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

২ অক্টোবর ২০১৯

***** বিকেল পাঁচটার আপডেট

হাওড়া এবং হুগলিতে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত। তবে আর অবনতি হওয়ারও আশঙ্কা নেই বলে জানা গিয়েছে স্থানীয় সূত্রে। উদয়নারায়ণপুর এবং আমতা ২ ব্লকের কুড়িটিরও বেশি গ্রামে জল ঢুকেছে। তবে স্বস্তির খবর হল, নতুন করে আর জল বাড়েনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে আমতা-উদয়নারায়ণপুর সড়কে জল নেই। বাস পরিষেবাও স্বভাবিক হয়েছে।

উদয়নারায়ণপুরের রাজাপুরে বন্যা পরিস্থিতি। ছবি: অনির্বাণ ঘোষ।

তবে বীরভূম, মালদা এবং মুর্শিদাবাদে নতুন করে আশঙ্কার মেঘ দেখা দিয়েছে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে। ৩ এবং ৪ তারিখ বিহারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যদিও বৃষ্টির দাপট গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই কম থাকবে, তবে এই মুহূর্তে বিহারের নদীগুলির যা অবস্থা, তাতে একটু বেশি বৃষ্টি হলেই, জল আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

বিহারে বেশি বৃষ্টি হলে তার প্রভাব মধ্যবঙ্গের তিন জেলায় পড়বে। তবে এই জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিন ভারী বৃষ্টির বিশেষ সম্ভাবনা নেই।

***** হুগলির খবর- দামোদরের জলে ভাসছে পুরশুড়া, শ্যামপুর, শ্রীরামপুরের বিরাট অঞ্চল। মূল সড়কের ধারে অস্থায়ী আস্তানা তৈরি করে থাকছেন সাধারণ মানুষ।

***** মালদার বর্তমান পরিস্থিতি জানার জন্য ক্লিক করুন এখানে

***** বিহারের পরিস্থিতি জানার জন্য ক্লিক করুন এখানে

*****সকাল সাড়ে আটটার আপডেট

সব মিলিয়ে রাজ্যে বন্যার কবলে রাজ্যের ৬ জেলা। সেগুলি হল মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া ও হুগলি।

বুধবার সকালে বন্যার জল ঢোকে উদয়নারায়ণ ব্লকের রাজাপুর মাঠে। ছবি অসিত ঘোষ।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে হাওড়ার আমতা ২ এবং উদয়নারায়ণপুরে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকাল থেকে জল বেড়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে উদয়নারায়ণপুরের কিছু গ্রাম। পুজো ঠিক শুরু হওয়ার মুখে এই বন্যায় মাথায় হাত স্থানীয় বাসিন্দাদের।

হুগলির অবস্থাও বেশ খারাপ। মুণ্ডেশ্বরী আর দামোদরের জলে প্লাবিত চাঁপাডাঙা-সহ বেশ কিছু এলাকা। বর্ধমানের কিছু জায়গাও দামোদরের জলে প্লাবিত।

বীরভূমেও মহম্মদবাজার ব্লকের বেশ কিছু গ্রাম জলের তলায় রয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি বেশ গুরুতর মালদা এবং মুর্শিদাবাদে। তবে নতুন করে বৃষ্টি না হওয়ায় এই তিন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি আশা করা যায়।

তবে হাওড়া এবং হুগলিতে জল আরও বাড়ার আশঙ্কা। কারণ মাইথন আর পাঞ্চেত জলাধার থেকে ছাড়া পুরো জল এখনও এসে পৌঁছোয়নি। ফলে পঞ্চমীর দিন জল আরও বাড়তে পারে।

১ অক্টোবর ২০১৯

***** আপডেট সন্ধ্যা ৭:১৫

বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হুগলি জেলায়। দামোদর এবং মুণ্ডেশ্বরীর জল বেড়ে যাওয়ায় বন্যার মুখোমুখি হয়েছেন শয়ে শয়ে মানুষ। দুর্গতরা চাঁপাডাঙার সেতুতে আশ্রয় নিয়েছেন।

***** এ বছর বন্যা কেন গত ২৫ বছরের মধ্যে নজিরবিহীন? জানতে পড়ুন

***** সর্বশেষ আপডেট বিকেল পৌনে পাঁচটা

দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ১ লক্ষ ৩ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে। এই জল বুধবার পৌঁছনোর কথা হাওড়া, হুগলিতে। ফলে বর্ধমানের জামালপুর, হুগলি, হাওড়ার আমতা, উদয়নারায়ণপুরে বন্যার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এ দিন সকাল থেকে উদয়নারায়ণপুরের বিভিন জায়গা প্লাবিত। ফলে এই পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

***** মালদার খবর

মালদার বন্যার বর্তমান পরিস্থিতি জানতে ক্লিক করুন এখানে

***** হাওড়ার খবর

ডিভিসি জল ছাড়ায় ধীরে ধীরে প্লাবিত হতে শুরু করেছে হাওড়ার আমতা ২ এবং উদয়নারায়ণপুর ব্লকের বেশ কিছু জায়গা। স্থানীয় সূত্রে খবর, উদয়নারায়ণপুরের ডিহিভুরশুটে জল ঢুকতে শুরু করেছে। তবে বাসিন্দাদের আশঙ্কা, বাড়তি জল পুরোপুরি এসে গেলে জল আরও বাড়বে। দামোদরের জলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

*****বিহারের খবর

এখনও জলবন্দি রয়েছে পটনার বিস্তীর্ণ এলাকা। শহরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৭০০০ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্গতদের ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। বিহার জুড়ে এনডিআরএফের ২২টি দল মোতায়েন রয়েছে, যাদের মধ্যে পটনাতেই রয়েছে ৬টি দল। বায়ুসেনার দুটি হেলিকপ্টারও কাজ করছে।

***** খুশির খবর এই যে বৃষ্টির দাপট অনেকটাই কমে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে।

***** সোমবার পর্যন্ত মাইথন এবং পাঞ্চেত জলাধার থেকে ব্যাপক হারে জল ছেড়েছে ডিভিসি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটায় দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ৬৫ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে। ডিভিসির ওয়েবসাইট সূত্রে জানানো হয়েছে, দামোদরের বাড়তি জল মঙ্গলবার এবং বুধবার হাওড়ার আমতায় এসে পৌঁছোবে। ফলে আমতা আর উদয়নারায়ণপুরের নিচু জায়গাগুলি প্লাবিত হতে পারে।

***** রাজ্যের তিন জেলা, যথাক্রমে মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমে বন্যা পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। ফরাক্কায় সব লকগেট খুলে দেওয়ায় এ রাজ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশেও ব্যাপক বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বীরভূমের বিপদসীমার ওপরে দ্বারকা, অজয়, ময়ূরাক্ষী। মালদায় ফুঁসছে ফুলাহার। সব মিলিয়ে আতান্তরে অসংখ্য মানুষ।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

***** সরকারি ভাবে বর্ষার মরশুম শেষ হল ভারতে। কেমন গেল এই মরশুম, আগামী দিনের পূর্বাভাস কী, পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি দাপট কবে কমবে, তা জানার জন্য ক্লিক করুন এখানে

***** ঝাড়খণ্ডে লাগাতার বৃষ্টির জেরে বানভাসি অবস্থা বীরভূমের একাধিক জায়গায়। ফুঁসছে ময়ূরাক্ষী, অজয়, দ্বারকা। জল ছাড়া হয়েছে মাসাঞ্জোর, তিলপাড়া এবং দেউচা ব্যারেজ থেকে। মহম্মদবাজারের অন্তত ১৭টি গ্রাম প্লাবিত।

***** স্বস্তির খবর এই যে বিহারে বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর মঙ্গলবার থেকে মালদা এবং দুই দিনাজপুরেও বৃষ্টির দাপট অনেকটাই কমে যাবে।

***** বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত গত ৯ ঘণ্টায় মালদায় বৃষ্টি হয়েছে ৫০ মিমি। লাগাতার বৃষ্টি জেরে ইংরেজবাজার পুরসভার ২৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২১টিই জলমগ্ন। পুরাতন মালদা পুরসভার ২০টি ওয়ার্ডের ৯টি জলের তলায়। 

***** অতিবৃষ্টির জেরে জলমগ্ন মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।

***** ফরাক্কা ব্যারেজের সব গেট খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ব্যারেজ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। ব্যারেজে লকগেটের সঙ্গে ১০৯। ফলে পশ্চিমবঙ্গে বন্যার পরিস্থিতি ঘোরালো হতে পারে। প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে বাংলাদেশেও। মুর্শিদাবাদে গঙ্গা তীরবর্তী অঞ্চলে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

***** প্রবল বৃষ্টি এবং বন্যার জেরে কয়েক দিন ঘরে আটকে থাকার পর নিরপদে উদ্ধার করা হয়েছে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদীকে। এনডিআরএফের নৌকায় উদ্ধার করার সময়ে তাঁর পরনে ছিল হাফপ্যান্ট।

***** প্রবল বৃষ্টির ফলে ভেসে গিয়েছে উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার। প্রায় ৫০০ বন্দিকে অন্যান্য জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

***** বানভাসি বিহারের মন্ত্রীর বাড়ি।

***** বিহারে বন্যার জেরে বাতিল করা হয়েছে হাওড়া থেকে উত্তর ভারতগামী একাধিক ট্রেন

***** মালদায় বৃষ্টি থামেনি। সকাল সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত গত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৪৪ মিলিমিটার। এই নিয়ে গত ৫১ ঘণ্টায় মালদায় বৃষ্টির পরিমাণ ২০০ মিমি ছাড়াল।

***** বিরামহীন বৃষ্টির জেরে মালদা এবং মুর্শিদাবাদে ফুঁসছে একাধিক নদী। জেলার বেশ কিছু অঞ্চল আগে থেকেই প্লাবিত। ফলে বৃষ্টি এখনই না থামলে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফরাক্কার বেশ কিছু গ্রাম জলমগ্ন। সামসেরগঞ্জের অবস্থা শোচনীয়। অন্য দিকে মালদার মানিকচক, রতুয়ার অবস্থাও বেশ খারাপ।

***** বিহারে পানীয় জলের সমস্যা সব থেকে বেশি। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের প্রধান জানিয়েছেন, এই সমস্যা মেটানোর জন্য পাম্পের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

***** হিমাচল প্রদেশের রোটাং পাসে তুষারপাত।

***** নির্ধারিত সময়ের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও বর্ষার বিদায়ের কোনো নামগন্ধ নেই।

***** পটনার বর্তমান পরিস্থিতি।

https://twitter.com/ANI/status/1178518568905760768

***** সকালে হালকা বৃষ্টির পর সোমবার অবশেষে কলকাতায় সূর্যের দেখা পাওয়া গিয়েছে। তবে এ দিনও দুপুরের দিকে বিক্ষিপ্ত ভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

***** প্রবল বৃষ্টি জারি মালদায়। সোমবার সকাল পর্যন্ত মালদা শহরে ১০০ মিমি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আরও ২৪ ঘণ্টা মালদা এবং দুই দিনাজপুরে ব্যাপক বৃষ্টি চলতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

***** সোমবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বিহারের পুর্ণিয়ায় ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। পটনা এবং ভাগলপুরে বৃষ্টি হয়েছে যথাক্রমে ৯২ এবং ৯৩ মিলিমিটার। সোমবার থেকে বিহারে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে। গত তিন দিনে বিহারে গড়ে চারশো মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হল।

***** বিহারে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৯।

***** আকাশপথে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য বায়ুসেনার কাছে দু’টি হেলিকপ্টারের আবেদন করল বিহার সরকার।

***** ঝাড়খণ্ডে লাগাতার বর্ষণের জেরে টইটম্বুর হয়ে উঠেছে দামোদর, বরাকর নদী। ফলে মাইথন এবং পাঞ্চেত জলাধার থেকে জল ছেড়েছে ডিভিসি। এই মরশুমে যা প্রথম বার। তবে বৃষ্টি ধরে আসায় দক্ষিণবঙ্গে বন্যার আশঙ্কা এখনই নেই। তবে দুর্গাপুজোর পূর্বাভাস যদি মিলে যায়, তা হলে কিছুটা চিন্তার ভাঁজ পড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গের কপালে।

***** বৃষ্টির দাপট উত্তরপ্রদেশেও। বারাণসীতে রাস্তা দিয়ে বইছে গঙ্গার জল। এখনও পর্যন্ত গত চার দিনে রাজ্যে ৮০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।

***** এই বিপর্যয়ের পেছনে আবহাওয়া দফতরের ভুল পূর্বাভাসকে দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তবে আবহাওয়া দফতর বেশ কিছু দিন আগে থেকেই বলে আসছে সেপ্টেম্বরের শেষের তিন দিন চরম বৃষ্টি হতে পারে বিহারে।

***** বিহারের ১৩টি জেলায় বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পটনা। রবিবার শহরে নৌকা চলছে। বৃষ্টি এখনও থামেনি। সব মিলিয়ে গত তিন দিনের বৃষ্টিতে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এনডিআরএফের ১৯টি দলকে মোতায়েন করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.