Vasundhara Raje and Narendra Modi

ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রের এনডিএ সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ফের ক্ষমতায় আসীন হবে কি না, তার পরীক্ষা হবে আগামী ২০১৯-এ। কিন্তু বসুন্ধরা রাজের বিজেপি সরকার আবার এক বার রাজস্থান বিধানসভায় কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারবে কি না, তা স্থির হয়ে যাবে এ বছরেই। কারণ আগামী ২০ জানুয়ারি, ২০১৯-এই বসুন্ধরার মুখ্যমন্ত্রিত্বের মেয়াদ শেষ হবে। সে রাজ্যের পঞ্চদশ বিধানসভা নির্বাচন স্বাভাবিক ভাবে তার আগেই সম্পন্ন করতে হবে (বিজেপির একাংশের দাবি, ‘লোকসভা-বিধানসভা একই সঙ্গে হলে ভালো হয়’ গোছের বক্তব্য ধোপে টিকবে না)।

প্রায় সাড়ে চার বছর আগে রাজস্থানের বসুন্ধরা রাজে সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এই পাঁচ বছরের বেশির ভাগ সময়ইটাই কেটে গিয়েছে কৃষক সংগঠনের লাগাতার আন্দোলন, গুজ্জর সম্প্রদায়ের সংরক্ষণ আন্দোলন, সরকারের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মীদের আন্দোলন, গো-আন্দোলন এবং সর্বশেষে ‘পদ্মাবত’ ছবি নিয়ে রাজপুতদের চরম বিক্ষোভ সামাল দিতেই। বিজেপি নেতৃত্বের ধারণা ছিল, সাম্প্রতিক ভোটে দল যথেষ্ট ভালো ফলাফল করবে। যাতে এক দিকে যেমন রাজে সরকারের শাসন ব্যবস্থার ইতিবাচক দিকটির প্রতিফলন স্পষ্ট হবে, তেমনই অন্য দিকে রাজ্য বিধানসভার আগামী নির্বাচনের ‘ওয়ার্ম-আপ’টাও সেরে ফেলা যাবে। কিন্তু নেতৃত্বের সেই ধারণায় রীতি মতো জল ঢেলে দিয়েছে দু’টি লোকসভা এবং বিধানসভার ফলাফল।

গত বৃহস্পতিবার রাজস্থানের উপর্নিবাচনের ফলাফলে মোট ১৬টি বিধানসভার ছবি স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়ল। যার দু’-একটি বাদে প্রায় প্রত্যেকটিতেই কম-বেশি ভোটে পিছিয়ে রয়েছে বিজেপি। রাজস্থান বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ২০০। শতাংশের বিচারে বলা যায় প্রায় ৮.৫ শতাংশ আসনে এখন থেকেই এগিয়ে থাকল কংগ্রেস। এই ব্যাপারটাই সব থেকে বেশি চিন্তায় ফেলেছে মোদী-রাজেকে। দ্বিতীয়ত, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের মাস কয়েক আগেই অনুষ্ঠিত হবে রাজস্থানের বিধানসভা ভোট। ফলে সেই ভোটের ফলাফলে যদি বিজেপির হাত থেকে রাজস্থানের ক্ষমতা চলে যায়, তা খুব সহজেই লোকসভা নির্বাচনের ইস্যু হয়ে যাবে সারা দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির কাছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন