নয়াদিল্লি: যতই হামসফর এবং তেজস এক্সপ্রেস চালু হোক, দেশের ‘প্রিমিয়াম’ ট্রেন যে রাজধানী এবং শতাব্দী এক্সপ্রেস, তা বিলক্ষণ জানে রেল মন্ত্রক। এই ট্রেনগুলির রূপান্তরের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

গত বছর থেকেই এ বছরের মধ্যে লাইনে নেমেছে তেজস এক্সপ্রেস, হামসফর এক্সপ্রেসের মতো ট্রেনগুলি। তাদের গ্ল্যামারের ছটায় যেন কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে রাজধানী এবং শতাব্দী। ট্রেন সময়ে চলা তো দূরে থাক, পরিচ্ছন্নতা নিয়েও প্রশ্ন বিস্তর। এমনকি খাবারের মানও দিন দিন খারাপ হচ্ছে। এই সব সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল।

এই ট্রেনগুলিকে রূপান্তরের জন্য ‘অপারেশন স্বর্ণ’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। রেল মন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামী সেপ্টেম্বরেই নবরূপে হাজির হবে রাজধানী এবং শতাব্দী।

দশটি মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে এই রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে অন্যতম পরিচ্ছন্নতা, বিছানাপত্তর, খাওয়া, শৌচালয় ইত্যাদি। এ সব কিছু উন্নত করার পাশাপাশি ওয়াই-ফাই পরিষেবা, কফি মেশিন এবং সিনেমার স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে এই প্রকল্পের মধ্যে। সেই সঙ্গে ট্রেন যাতে সময়ে চলে সেই ব্যাপারেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মুম্বই-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস এবং মুম্বই-আমদাবাদ শতাব্দী এক্সপ্রেসের ওপর প্রথম এই রূপান্তরের কাজ করা হবে। রেলের এক আধিকারিকের মত, “যাত্রীদের আরও স্বাচ্ছন্দ্য দেওয়ার জন্য এই রূপান্তরের পরিকল্পনা করেছে রেল মন্ত্রক।”

এর পাশাপাশি যাত্রাপথের মাঝের স্টেশনগুলির জন্য শতাব্দী এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলমন্ত্রক। মূলত বাসের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দিতা করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন