নয়াদিল্লি: একটি রাজ্যসভা আসনের দর ১০০ কোটি! এমনই প্রতিশ্রুতি দেওয়া একটি চক্রের পর্দাফাঁস করল সিবিআই। তদন্ত সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, টাকার বিনিময়ের ঠিক আগে আগেই অভিযুক্তকে পাকড়াও করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ফোনে চলছিল কথা। চক্রের সদস্যদের মধ্যে কথাবার্তা চালাচালি থেকেই অভিযুক্তের সন্ধান চালায় সিবিআই। শেষমেশ জালেও তুলে ফেলা হয় তাকে।

সিবিআই সূত্রে খবর, এফআইআর-এ মহারাষ্ট্রের লাতুরের কমলাকার প্রেমকুমার বন্দগার, কর্নাটকের বেলগাঁওয়ের রবীন্দ্র বিঠল নায়েক এবং দিল্লি পার্শ্ববর্তী এলাকার মহেন্দ্র পাল অরোরা, অভিষেক বুরা এবং মহম্মদ আইজাজ খানের নাম রয়েছে।

অভিযোগ, নিজেকে সিবিআই আধিকারিক হিসেবে ভুয়ো পরিচয় দিয়েছিল বন্দগার। তদন্তকারী সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে তার যোগাযোগের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয় অন্য অভিযুক্তদের।

এ ভাবেই প্রতারিতদের দৃষ্টি আকর্ষণের মাধ্যমে রাজ্যসভার আসন, রাজ্যপাল পদ, কেন্দ্রীয় সরকারি মন্ত্রক এবং বিভাগে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের টোপ দেওয়া হয়। মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণাই ছিল তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।

বিষয়টি সিবিআই-এর নজরে আসে ফোনের কথোপকথন থেকেই। বন্দগারকে বুরা জানায় কাজ হাসিল হয়ে গিয়েছে। কোনো এক জনকে নিয়োগের বিনিময়ে মোটা টাকা কামানোর জন্য কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। এফআইআর-এ বলা হয়েছে, রাজ্যসভার প্রার্থী করার আশ্বাস দিয়ে কোনো এক জনের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা আদায়ের বিষয়ে প্রমাণ মিলেছে অভিযুক্তদের কথোপকথনে।

আরও পড়তে পারেন: 

‘ব্যক্তিগত নয়, আমার রাষ্ট্রপতি হওয়া ভারতের প্রতিটি দরিদ্র মানুষের প্রাপ্তি’, বললেন দ্রৌপদী মুর্মু

ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যেই এসএসকেএম থেকে ভুবনেশ্বরে পার্থ

ভারতের প্রথম প্রথম আদিবাসী এবং নবীনতম রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, শপথগ্রহণ আজ

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন