Connect with us

দেশ

ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস, সিল করা হল রাঁচির হিন্দপিড়ি এলাকা

রাঁচি: ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand) মোট করোনারোগীর সংখ্যা ৯। কিন্তু এর মধ্যে ছ’ জনই রাজধানী রাঁচির (Ranchi) হিন্দপিড়ি এলাকা থেকে। ফলে প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কোনো ঝুঁকি না নিয়ে সিল করে দেওয়া হয়েছে রাঁচি শহরের ওই এলাকাটি।

ইতিমধ্যে ঝাড়খণ্ড থেকে কোভিড ১৯-এ (covid 19) আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর এসেছে। মৃত ব্যক্তি বোকারোর বাসিন্দা, বয়স ৭৫।

বুধবার পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্ত ছিলেন ৪ জন। এঁদের মধ্যে দু’জন হিন্দপিড়ির (Hindpiri)। বৃহস্পতিবার পাঁচ জন করোনারোগীর খোঁজ পাওয়া যায়, যাঁদের মধ্যে চার জন ওই অঞ্চলের।

উল্লেখ্য, রাজ্যে প্রথম করোনারোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ৩১ মার্চ। মালয়েশিয়াজাত এক মহিলা দিল্লির নিজামুদ্দিনের (Nizamuddin) জমায়েতে যোগ দিয়েছিলেন। এর পর হিন্দপিড়ির একটা মসজিদেই ছিলেন তিনি। তাঁর শরীরে করোনাভাইরাসের (Coronavirus) উপস্থিতি মেলার কিছু দিন পরেই আরও এক মহিলার শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া যায়। এই মহিলা সম্ভবত মালয়েশিয়াজাত ওই মহিলার সংস্পর্শে এসেছিলেন।

কিন্তু তত দিনে আরও দু’জন কোভিড ১৯-এ (Covid 19) আক্রান্ত হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁদের বাড়ি বোকারো (Bokaro) আর হাজারিবাগে (Hazaribag)। হাজারিবাগের ওই ব্যক্তির আবার আসানসোল (Asansol) যোগ ছিল। ফলে আসানসোলও সতর্কবার্তা এসে পৌঁছোয়। ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা সবাইকে কোয়ারান্টাইন করা হয়।

আরও পড়ুন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব হোটেল-রেস্তরাঁ বন্ধ থাকবে?

এরই মধ্যে হিন্দপিড়ি থেকে আরও চার জন করোনারোগীর খোঁজ পাওয়া গেল। তবে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে নতুন এই চার জন ওই দ্বিতীয় মহিলার পরিবারের লোক। ফলে গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনো আশঙ্কা নেই বলেই জানাচ্ছে তারা।

যদিও কোনো ঝুঁকি না নিয়ে ৭২ ঘণ্টার জন্য পুরো হিন্দপিড়ি অঞ্চল সিল করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দাদের কোনো ভাবেই বাড়ির বাইরে বেরোতে দেওয়া হবে না। কাছেই একটি চিকিৎসক দল এবং অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা করে রেখেছে প্রশাসন। কোনো কারণ ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে বেরোলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

দেশ

কেরলে হাতি-হত্যায় নিন্দার ঝড়, কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রী পিনারই বিজয়নের

ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি কেরলের মালাপ্পুরম (Malappuram) জেলার একটি গ্রামে গর্ভস্থ শাবক-সহ একটি হাতিকে নির্মম ভাবে হত্যার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে গোটা দেশ। বুধবার কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারই বিজয়ন (Pinarayi Vijayan) আশ্বাস দেন, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঘটনায় প্রকাশ, খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসে হস্তিনী। যার মূল্য চোকাতে হল নিজের এবং শাবকের জীবনের বিনিময়ে। ওই গর্ভবতী হাতিকে বারুদ এবং বাজি-ঠাসা আনারস খেতে দেওয়া হয়। যেটি খাওয়ার পর ঘটে যায় মর্মন্তুদ ঘটনা। সেই বাজি ভরা আনারস ফাটতেই ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় হাতিটির জিভ এবং মুখ। এ দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেরলের মালাপ্পুরমের ঘটনায় যে বা যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে”।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরই এমন জঘন্য অপরাধ যারা করেছে, তাদের শাস্তির দাবি উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, “বন দফতর ঘটনাটির তদন্ত করছে। অপরাধীরা ধরা পড়বেই”।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যন্ত্রণাবিদ্ধ হাতিটি লোকালয়ে ছুটে বেড়ালেও কোনো বাড়ি অথবা মানুষের ক্ষতি সে করেনি। স্থানীয় ভেলিয়ার নদীতে শুঁড় এবং মুখ ডুবিয়ে বসেছিল হাতিটি। হয়তো ভেবেছিল, জলে মুখ ডুবিয়ে থাকলে শরীরের জ্বালা-যন্ত্রণা কমে যাবে। ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছোয় উদ্ধারকারী দল। কিন্তু অসহনীয় যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা হাতিটি জল থেকে উঠে আসতে চায়নি। শুধু বাঁচতে চেয়েছিল, বাঁচাতে চেয়েছিল নিজের সন্তানকে!

প্রসঙ্গত, বন বিভাগের অফিসার মোহন কৃষ্ণন গোটা ঘটনার বিবরণ দিয়েছিলেন সোস্যাল মিডিয়ায়। যদিও পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বলেই জানা গিয়েছে।

পড়তে থাকুন

দেশ

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের সংশোধনীতে সম্মতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনা মতোই বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের সংশোধনীতে সম্মতি মিলল। একই সঙ্গে অর্ডিন্য়ান্স এনে কৃষিপণ্যের বাধাহীন বাণিজ্যের নতুন দরজা খুলে দিল কেন্দ্র।

করোনাভাইরাস লকডাউনে ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন কেন্দ্রের এই পরিকল্পনার কথা জানান। সেই পরিকল্পনা মতোই প্রায় সাড়ে ছ’দশকের পুরনো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধনে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রের দাবি, এই সংশোধনীর মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্র নতুন করে চাঙ্গা হবে, আয় বাড়বে কৃষকের।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিষয়টি ঘোষণা করে মন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর বলেন, আইন সংশোধনের ফলে খাদ্যশস্য, খাদ্যবীজ, তৈলবীজ, পেঁয়াজ এবং আলুর মতো কৃষিপণ্যে যেমন বিনয়ন্ত্রণ হল, তেমনই ওই অর্ডিন্যান্সের ফলে কৃষকরা প্রক্রিয়াকরণকারী, সংগ্রহকারী, বড়ো পাইকার, রফতানিকারকদের কাছ থেকে উদ্বৃত্ত অর্থ আয় নিজের হাতে পেতে পারবেন। এত দিন ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় আইনের জাঁতাকলে পড়ে যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন কৃষকরা।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই সংশোধনী ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের মন থেকে নিয়ন্ত্রকের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের ভয় দূর করবে।

এ দিন ‘দ্য ফার্মিং প্রডিউস ট্রেড অ্যান্ড কমার্স (প্রমোশন অ্যান্ড ফেসিলিটেশন) অর্ডিন্যান্স ২০২০’ অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। কেন্দ্রের দাবি, এটি এমন একটি ‘বাস্তুতন্ত্র’ তৈরি করতে সহায়তা করবে, যেখানে কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা পছন্দ মতো কৃষি পণ্য কেনাবেচার স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারবেন।

পড়তে থাকুন

দেশ

লাদাখে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার সামরিক পর্যায়ের বৈঠক ভারত ও চিনের মধ্যে

india and china

খবরঅনলাইন ডেস্ক: লাদাখে (Ladakh) উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার ৬ জুন সেনা পর্যায়ের বৈঠকে বসছে ভারত আর চিন। সূত্রের খবর, ভারতের তরফেই এই বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তাতে সাড়া দিয়েছে চিন।

শনিবার সীমান্তের চুশুল মলডো সেনাছাউনিতে বৈঠক হবে। ভারতীয় সেনার তরফে নেতৃত্ব দেবেন ১৪ কোরের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরিন্দর সিংহ।

এই বৈঠকের আগে চিনের তরফ থেকে সদর্থক বার্তা এসেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনার (Indian Army) একটি সূত্র। অনেকেরই মতে, লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় উত্তেজনা কমাতে দু’ পক্ষই কিছুটা নমনীয় অবস্থান নিতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ডোকালামের (Doklam) পর ভারত-চিনের মধ্যে কোনো সীমান্তে এত বড়ো মাপের কোনো সেনা সমাবেশ হয়নি।

মে মাসের গোড়ার দিকে লাদাখে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আচমকাই চিনা সেনার তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর থেকেই নয়াদিল্লি-বেজিং সম্পর্ক উত্তপ্ত। দু’ দফায় হাতাহাতি সংঘাতের পর গালওয়ান উপত্যকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিপুল সেনা মোতায়েন করে চিন। পালটা ভারতও সেনা মোতায়েন করে।

গত সপ্তাহে পরিস্থিতি এতটাই তপ্ত হয়ে ওঠে যে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা-সহ সেনার পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্য দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দু’ দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দেন। যদিও দুই দেশই সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।

তার পর বেজিং কিছুটা সুর নরম করায় ভারতও নমনীয় অবস্থান নেয়। তার পর শনিবারের এই সেনা পর্যায়ের বৈঠকে উত্তেজনা আরও কমতে পারে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

পড়তে থাকুন

নজরে