নয়াদিল্লি: বিমুদ্রাকরণের পদ্ধতি শুরু হয়েছিল গত বছর জানুয়ারি থেকেই, সংসদের অর্থ সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটিকে জানালেন আরবিআই গভর্নর উর্জিত পটেল। গত সপ্তাহে স্ট্যান্ডিং কমিটিকে দেওয়া ৭ পৃষ্ঠার চিঠিতে উর্জিত জানিয়েছিলেন, ২০১৬-র ৭ নভেম্বর (কেন্দ্রের নোট বাতিলের ঘোষণার এক দিন আগে) কেন্দ্র থেকে বিমুদ্রাকরণের পরামর্শ দেওয়া হয় আরবিআইকে। তাঁর নিজেরই দেওয়া বয়ান থেকে বুধবার অনেকটাই সরে আসেন উর্জিত।

এর আগে ২০১৪-র জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় সরকার কিছু সিরিজের ১০০০ টাকার নোট তুলে নেয় বাজার থেকে। সে কথাও প্যানেলকে জানান প্যাটেল।

আরবিআই-এর ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, অর্থ মন্ত্রকের একাধিক আধিকারিককেও প্যানেলের নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। বাতিল হওয়া নোটের কত অংশ ফিরে এসেছে ব্যাঙ্কে, অথবা কত নতুন নোট ছাপা হয়েছে বাজারে, এই সব প্রশ্নের কোনো উত্তরই মেলেনি আধিকারিকদের কাছ থেকে। 

একই প্রশ্ন আরবিআই গভর্নরকে করা হলে উনি জানান, ৯.২ লক্ষ কোটি টাকার নতুন নোট ছাপানো হয়েছে। তবে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা কবে স্বাভাবিক হবে, সে প্রসঙ্গে মেলেনি জবাব। আগামী শুক্রবার, নোট বাতিল প্রসঙ্গে অন্য আরেকটি কমিটি ডেকে পাঠিয়েছে পটেলকে। ওই কমিটির দায়িত্বে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা কেভি থমাস। 

ব্লুমবার্গের পক্ষ থেকে প্রকাশিত রিপোর্ট বলেছে, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত বাতিল নোটের প্রায় ৯৭ শতাংশ  ফিরে এসছে ব্যাঙ্কে। এই প্রসঙ্গে আরবিআই এবং স্বয়ং অর্থমন্ত্রীও জানিয়েছেন, তাদের কাছে সঠিক তথ্য নেই এখনও।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন