ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: “আমি কেন পদত্যাগ করব”? জোর গলায় বলেছিলেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী।নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকেই শুক্রবার জানিয়ে দিলেন, “আস্থা ভোটে যেতে রাজি আছি”।

জোট সরকারের দেড় ডজনের কাছাকাছি বিধায়কের ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই সংকটে কর্নাটকের কংগ্রেস-জেডিএস সরকার। ইস্তফা নিয়ে চলছে জোর চাপান-উতোর। বিধানসভার অধ্যক্ষের আপত্তিতে ইস্তফাকাণ্ড পৌঁছে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। স্বাভাবিক ভাবে ঘোর সংকটে পড়া জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী এ দিন বিধানসভায় দাঁড়িয়েই ঘোষণা করেন, তিনি আস্থা ভোটে যেতে রাজি রয়েছেন।

রাজ্য বিধানসভা বিধান সৌধে সকলের সামনে দাঁড়িয়েই এ দিন কুমারস্বামী বলেন, “আমি আস্থা ভোটে যেতে রাজি আছি। কিন্তু এর জন্য সময়ের প্রয়োজন”। গত বৃহস্পতিবার তাঁর পদত্যাগের জোরালো দাবিকে নস্যাৎ করেছিলেন তিনি। এ দিন তিনিই বলেন, “আমি সব কিছুর জন্যই প্রস্তুত আছি। ক্ষমতা ধরে রাখার পক্ষপাতী নই আমি”।

কুমারস্বামীর এহেন মন্তব্য শোনার পর অধ্যক্ষ কে আর রমেশ কুমার তাঁর জন্য সময় বরাদ্দের কথা জানান। অধ্যক্ষ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আস্থা ভোটে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ফলে তাঁর জন্য সময় বরাদ্দ করা হবে”।

স্বাভাবিক ভাবে কর্নাটককাণ্ডের জট কাটাতে বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেল। এই দাবি আগেই জানিয়ে এসেছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, শক্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মতো ক্ষমতা তাদের রয়েছে। কুমারস্বামীর আস্থাভোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই দলীয় বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের বিজেপি সভাপতি বি এস ইয়েদ্দিয়ুরাপ্পা। এই সুযোগ যাতে কোনো মতেই বিজেপির হাতছাড়া নয়, তারই ব্লু-প্রিন্ট রচনায় ব্যস্ত তিনি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে দলের একাংশ।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here