hadiya

ওয়েবডেস্ক: স্বভাব যায় না ম’লে? না কি সিপাহি সহজে না টলে?

দ্বিতীয়টাই অন্তত দাবি করছেন কে এম অশোকন। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শীর্ষ আদালত যা-ই বলুক না কেন, মেয়ের উপর দখলদারি ফিরে পাওয়ার লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেনই!

এ বার তা হলে কোন দিকে যেতে চলেছে হাদিয়া আর শফিন জাহানের বিয়ের এই তথাকথিত ‘লাভ জিহাদ’ মামলা?

শীর্ষ আদালত ২৩ জানুয়ারি সাফ জানিয়ে দিয়েছিল তার রায়ে, হাদিয়া এবং শফিনের এই বিয়ে নিয়ে জাতীয় তদন্ত কমিশন কোনো রকম মাথা ঘামাবে না। কেন না, আদালতে দাঁড়িয়ে হাদিয়া যখন সাফ জানাচ্ছেন যে, তাঁকে বিয়ে এবং ধর্মান্তকরণে বাধ্য করা হয়নি, তখন আদালত আর এ বিষয়ে কিছু করতে পারে না।

কিন্তু ওই- ভবী কখনও ভোলে! ফলে, সংবাদমাধ্যমের সামনে তপ্ত কথার ফোড়ন কেটেই চলেছে অশোকন। “আমি একজন ফৌজি। ২৪ ঘণ্টা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত”, সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন তিনি। “ভারতীয় সেনাবাহিনীর গাড়িচালক হিসাবে আমি ১৯ বছর কাজ করে এসেছি। সব সময় তৈরি থাকতাম- কখন কাজের ডাক পড়বে! লাদাখ থেকে অসম- কোথাওই বলার সঙ্গে সঙ্গে রওনা দিতে আমি পিছ-পা হতাম না”, দাবি তাঁর। অর্থাৎ, সহজে মামলার পথ থেকে সরে আসবেন না তিনি!

অশোকনের বরাবরের দাবি, ভুলিয়ে-ভালিয়ে বিয়ে করে তাঁর মেয়েকে আফগানিস্তানে নিয়ে যাবেন শফিন। সেখানে কেরল থেকে উধাও হয়ে যাওয়া ২১ জন মুসলিম যুবকও রয়েছে। এ ভাবেই তাঁর মেয়েকে উগ্রবাদী দলে টেনে নেওয়া হবে, ব্যবহার করা হবে মানব-বোমা হিসাবে, দাবি অশোকনের। সেই জায়গা থেকে তিনি এ বার হাদিয়া যাতে দেশের বাইরে যেতে না পারে, সেই মর্মে মামলা করার পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

সাধে কী আর বলে- যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here