ওয়েবডেস্ক: ৫ ডিসেম্বরে রাজ্যে ১৭টি আসনে বিধানসভা উপনির্বাচন। তার আগে দ্বন্দ্বে জেরবার কর্নাটক বিজেপি। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ, যে গেরুয়া শিবিরের টিকিটে জেতা চার বারের বিধায়ক কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

এই দ্বন্দ্বের কারণ, উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীদের নিয়ে। গত জুলাইয়ে রাজ্যে পতন হয় এইচডি কুমারস্বামী সরকারের। কংগ্রেস এবং জেডিএসের ১৭ বিধায়কের বিদ্রোহের ফলে পড়ে যায় সরকার। ক্ষমতা দখল করেন ইয়েদিউরাপ্পা।

সরকার ফেলে দেওয়ার ‘উপহারস্বরূপ’ আসন্ন উপনির্বাচনে ওই আসনগুলির মধ্যে অধিকাংশতেই ওই বিদ্রোহীদেরই প্রার্থী করেছে বিজেপি। এতেই ক্ষুব্ধ স্থানীয় প্রবীণ বিজেপি নেতারা।

বিজেপির টিকিতে চার বারের বিধায়ক হয়েছেন রাজু কাগে। গত বিধানসভা ভোটে উত্তর কর্নাটকের একটি আসনে কংগ্রেসের শ্রীমন্ত পাতিলের কাছে হেরে যান তিনি। এই শ্রীমন্ত পাতিল আবার বিদ্রোহীদের একজন।

আরও পড়ুন মহারাষ্ট্রে এনসিপি-শিবসেনা-কংগ্রেসের অভিন্ন কর্মসূচি

আসন্ন উপনির্বাচনে পাতিলকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি। এতেই ক্ষুব্ধ কাগে। তিনি বলেন, “এত দিন বিজেপির জন্য কত কিছু করলাম। তবুও কিছু পেলাম না। এত বারের বিধায়ক হয়েছি, একবারও মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি। তাই কংগ্রেসে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছি।”

কাগেই একমাত্র নন। বিজেপির এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে নির্দল হিসেবেও অনেকে প্রার্থী হয়েছেন।

উল্লেখ্য, কিছু দিন আগেই ইয়েদিউরাপ্পা বলেছিলেন, কংগ্রেস এবং জেডিএসের যে বিধায়কদের জন্য তিনি ক্ষমতায় বসতে পেরেছেন, তাঁদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা হবে আর তাঁদের ‘উপহার’ দেওয়া হবে।

উপনির্বাচনে তাঁদের প্রার্থী করে সেই উপহারই দিলেন তিনি। তবে সেটা করতে গিয়ে দলের অনেক প্রবীণের সমর্থন হারাতে হচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য। সেই দ্বন্দ্ব সামলানোই এখন বিজেপির কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন