dr. richard thaler

ওয়েবডেস্ক: ঘরের ছেলে আরেক নোবেলজয়ী কিন্তু সমর্থন করেননি বিমুদ্রাকরণকে। ইনি করেছিলেন, তবে গোড়ার দিকে। পরে যখন জানতে পারেন, বিমুদ্রাকরণের পর ২০০০ টাকার নোট চালু করা হয়েছে, বিস্মিত হয়ে যান তিনি। তাঁর প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট হতাশা ফুটে ওঠে।

২০১৭-য় অর্থনীতিতে নোবেল জিতেছেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। রিচার্ড প্রথমে নোটবন্দি নীতি সমর্থন করলেও পরে যখন জানতে পারেন পাঁচশো আর হাজারের নোট বাতিল করে দেশ জুড়ে ২০০০ টাকার নোট চালু করা হয়েছে তিনি অবাক হয়ে যান। ২০০০-এর নোট চালু করে কী ভাবে দুর্নীতিমুক্ত হবে ভারত সে ব্যাপারে বহু অর্থনীতিবিদের মতোই অন্ধকারে রিচার্ডও।

আরও পড়ুনঅর্থনীতিতে নোবেল পেলেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার

মার্কিন অর্থনীতিবিদ রিচার্ড শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। বিহেভিয়ারাল ইকনোমিকস অর্থাৎ আচরণগত অর্থনীতিতে তাঁর অবদানের জন্য ২০১৭-র নোবেলজয়ী হিসেবে গত সোমবারই রিচার্ডের নাম ঘোষণা করেছে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি। অন্য দিকে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়েরই অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপনায় রয়েছেন ভারতের প্রাক্তন আরবিআই গভর্নর রঘুরাম রাজন যিনি বিমুদ্রাকরণের ঘোর বিরোধী ছিলেন। শোনা যায় নোটবন্দির আগে তড়িঘড়ি করে মেয়াদ ফুরনোর আগেই রাজনকে সরিয়ে গভর্নর হিসেবে উর্জিত পটেলকে আনার সিদ্ধান্তের পেছনে নাকি এটাই ছিল সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ। এ বছরের সম্ভাব্য নোবেলজয়ীদের তালিকায় বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে রাজনের নাম।


যাই হোক, ২০১৬-র ৮ নভেম্বর কেন্দ্র থেকে ঘোষিত হল নোটবন্দি নীতির কথা। ঘণ্টা চারেকের মধ্যেই অচল হতে চলেছে ৫০০ ও ১০০০ টাকার সমস্ত নোট। ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই টুইট করে ভারত সরকারের নীতিকে স্বাগত জানালেন রিচার্ড থেলার। বললেন, “দীর্ঘ সময় ধরেই এমন নীতিকে সমর্থন করে এসেছি আমি। নগদহীন এবং দুর্নীতিমুক্ত অর্থনীতির পথে প্রথম পদক্ষেপ”। তৎক্ষণাৎ বামপন্থী একটি বিশেষ দলের পক্ষ থেকে রিচার্ডের টুইটের পরিপ্রেক্ষিতে করা হয় পালটা টুইট- “২০০০ টাকার নোট চালু করে দুর্নীতি দূর করবে কেন্দ্র?” এর উত্তরে থেলারের টুইট স্পষ্টই বলে দেয়, মোদী সরকারের এই নীতিটি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না মার্কিন অর্থনীতিবিদ। তাঁর টুইটে ফুটে ওঠে স্পষ্ট হতাশা এবং অবিশ্বাস।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here