যন্তর মন্তরে ফুসমন্তর! দিল্লিতে বর্ণময় বুধবারের হরেক ‘ম্যাজিক’

দিল্লিতে বর্ণময় বুধবা্র। দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে

0
সংবাদ মাধ্যম জুড়ে যাঁরা

ওয়েবডেস্ক: বুধবার লোকসভায় অর্থলগ্নি সংস্থার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে বিল প্রস্তাব নিয়ে আসে কেন্দ্র। সমর্থন করেন কংগ্রেস সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।

তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “চিটফান্ডে লক্ষ লক্ষ মানুষের টাকা লুঠ হয়েছে। চোরেরা শোরগোল করছে। বাংলায় গরিবের টাকা লুঠ করে চোর মাচায়ে শোর”।

Loading videos...

“অধীর মাফিয়া ডন”, নাম ধরেই পাল্টা বলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।

ও দিকে সংসদের সেন্ট্রাল হলে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন সোনিয়া গান্ধী। মমতা তাঁর কাছে অধীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

তিনি রাগতস্বরেই সোনিয়াকে বলেন, “ঠিক আছে, আমিও মনে রাখব”।

সোনিয়া মমতাকে বলেন, “বিভিন্ন বিষয়ে আমরা একে অপরকে দোষারোপ করলেও দিনের শেষে আমরা বন্ধু, এক সঙ্গেই আছি”।

অন্য দিকে ষোড়শ লোকসভার শেষ অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন সমাজবাদী পার্টির প্রবীণ নেতা তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিংযাদব।

তিনি বসেছিলেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর পাশেই। মুলায়ম মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করে তাঁকেই দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখার বাসনা প্রকাশ করেন।

ও দিকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ধরনায় যোগ দিয়েছেন তাঁর ভাই রামগোপাল যাদব। দলের তরুণ নেতা অখিলেশের বিজেপি বিরোধিতার বার্তা পৌঁছে দেন তিনি।

মমতা এ দিনই যন্তর মন্তরে দেন জোট ফরমুলা। মহাজোটে সাফল্য পেতে তিনি কাছে পেতে আগ্রহী কংগ্রেস এবং সিপিএমকেও। তবে শর্তসাপেক্ষ।

মমতা বলেন, “রাজ্যে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়লেও জাতীয় স্তরে আমরা এক সঙ্গে লড়াই করব। যে যেখানে শক্তিশালী, সে সেখানে লড়বে”।

তৃণমূলনেত্রীর ফরমুলার কথা শুনে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “বিজেপির সুবিধা করে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন মমতা”।

যদিও কেজরিওয়ালদের ধরনামঞ্চেই অংশ নিয়ে সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি মোদী-শাহ জুটিকে মহাভারতের দুর্যোধন-দু‌ঃশাসনের সঙ্গে তুলনা টেনেছেন।

অন্য দিকে কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন, “মমতার প্রস্তাবকে স্বাগত”। তিনি যে দিল্লি নেতৃত্বের সুরেই গলা মেলালেন সেটাও স্পষ্ট।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন