সবরিমালা রায়ের প্রতিবাদ। ছবি সৌজন্যে ফার্স্ট পোস্ট হিন্দি।

ওয়েবডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে সবরীমালা সমস্যা আরও যেন জট পাকিয়ে যাচ্ছে। রবিবার রাতে মন্দির চত্বরে ভক্তের দল এবং পুলিশের মধ্যে বড়োসড়ো সংঘর্ষ বাঁধে। সেই ঘটনায় অন্তত ৭০ জন ভক্তকে গ্রেফতার করেছে কেরল পুলিশ। পাশাপাশি কেরল হাইকোর্টের কাছে ভর্ৎসনার শিকার হয়েছে বিজয়ন সরকার।

সবরীমালার আয়াপ্পা মন্দিরে এ বার বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কেরল পুলিশ। এর মধ্যে অন্যতম রাতে মন্দির চত্বরে থাকতে পারবেন না কোনো ভক্ত। কিন্তু রবিবার রাত এগারোটার পরে, ভক্তরা মন্দির চত্বর ছেড়ে যেতে রাজি হননি। পুলিশ তাদের নামাতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনায় ৭০ জন ভক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দু’শো জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে তারা।

এই ঘটনার পরেই কেরল জুড়ে বিক্ষোভ শুরু করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। কেরলের সব বড়ো শহরে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি তিরুঅনন্তপুরমে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনেও বিক্ষোভ দেখানো শুরু হয়।

গোটা পরিস্থিতিকে জরুরি অবস্থার থেকেও ভয়াবহ বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কেজে আলফোন্স।

আরও পড়ুন আশা করি মোদীকে তাঁর জায়গাটা দেখিয়ে দেবেন উর্জিত পটেল, বললেন রাহুল

এ দিকে ভক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে কেরল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে সে রাজ্যের হাইকোর্ট। গত মাসে সবরীমালা মন্দিরে পুলিশের সঙ্গে ভক্তদের হওয়া সংঘর্ষের ঘটনায় একটি আবেদন জমা পড়ে আদালতে। সেই আবেদনের শুনানিতেই এই প্রতিক্রিয়া দিয়েছে হাইকোর্ট।

আদালতের কথায়, “সুপ্রিম কোর্টের রায়ের নামে কী করে এ রকম স্বেচ্ছাচারিতা দেখাতে পারে পুলিশ?” আয়াপ্পা মন্দির চত্বরে পনেরো হাজার পুলিশকর্মীর উপস্থিতি নিয়েও তীব্র ভর্ৎসনা করে আদালত।

সব মিলিয়ে সবরীমালা এবং সেখানে সব বয়সি মহিলাদের প্রবেশাধিকারকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে যাচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here