sabarimala temple
সবরীমালা মন্দির

ওয়েবডেস্ক: গত ২৮ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট ঐতিহাসিক রায়ে সবরীমালা মন্দিরে ঋতুমতী মহিলাদের প্রবেশাধিকার ওপরে নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছিল। তার পর দু’বার মন্দির খোলা হলেও ঢুকতেই পারলেন না কোনো ঋতুমতী মহিলা।

সোমবার এবং মঙ্গলবার, দু’দিনের জন্য খোলা হয়েছিল এই মন্দির। মঙ্গলবার আবার দু’সপ্তাহের জন্য তা বন্ধ হয়ে গেল। মন্দির বন্ধের সময়ে দেখা গেল কোনো ঋতুমতী মহিলাই এই মন্দিরে ঢুকতে পারেননি।

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে কয়েক দিনের জন্য খুলেছিল এই মন্দির। তখন ৫০ বছরের নীচে বেশ কিছু মহিলাই এই মন্দিরে প্রবেশ করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের পথ আটকে দেয় বিক্ষোভকারীরা। বেশ কিছু মহিলা আহতও হয়েছিলেন। কিন্তু পরের দফায় মন্দির খুললে আর কোনো ঋতুমতী মহিলাই এই মন্দিরে ঢোকার চেষ্টা করেননি।

সোমবার এবং মঙ্গলবারও সবরীমালা মন্দির এবং তার আশেপাশের অঞ্চল ছিল ঘটনাবহুল। কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করেছিল কেরল সরকার। ছিলেন মহিলা পুলিশকর্মীও। তার পরেও অশান্তি হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া নারকেলে আহত হয়েছেন একটি মালায়ালাম চ্যানেলের চিত্র সাংবাদিক।

আরও পড়ুন আধার কার্ডে বয়সের প্রমাণ দেখিয়ে সবরীমালায় ঢুকতে হল মহিলা ভক্তকে

এ ছাড়া মন্দিরে ঢুকতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ৫২ বছরের এক মহিলাও। তাঁর বয়স ৫০-এর ওপরে, এটা কিছুতেই মানতে চায়নি বিক্ষোভকারীরা। শেষে আধার কার্ডে নিজের বয়সের প্রমাণ দেখিয়ে তার পর মন্দিরে ঢুকতে হয় তাঁকে।

এ দিকে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অনুসরণে কেরল হাইকোর্ট জানিয়েছিল মন্দিরে প্রবেশে কাউকেই বাধা দেওয়া যাবে না। যদিও বিক্ষোভকারীরা মহিলাদের বাধা দেওয়া জন্য যথেষ্ট তৎপরতা দেখিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বেড়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বলেন, সবরীমালাকে সাম্প্রদায়িক রঙ দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বিজেপি-আরএসএস। যদিও সেই দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছে তারা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here