জয়পুর: কয়েক দিন পরেই রাজস্থানে বিধানসভা নির্বাচন। সব জনমত সমীক্ষায় রাজ্যে কংগ্রেসের পাল্লা ভারী বলে ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। সেই সঙ্গে বলেছে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজস্থানবাসীর প্রথম পছন্দের প্রার্থী সচিন পায়লটই। সচিনের কাছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়ার জনপ্রিয়তা অনেকটাই কম।

এটা বলে দেওয়া যায়, ভোটের আগে যুযুধান দু’পক্ষ বসুন্ধরা এবং সচিন। কিন্তু হঠাৎ করেই বসুন্ধরার প্রশংসা করে বসলেন সচিন। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে কেন্দ্র করে বসুন্ধরাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন তিনি।

এনডিটিভি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সচিন বলেন, “অমিত শাহকে নিজের জায়গা দেখিয়ে দিয়েছেন বসুন্ধরা। গোটা দেশে কেউ যেটা করতে পারেনি, সেটা বসুন্ধরা করেছেন। ৭৫ দিন ধরে নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন তিনি।”

আরও পড়ুন সবরীমালা ইস্যু: ‘ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার জন্য’ তৃপ্তি দেশাইকে গ্রেফতারের দাবি বিজেপি নেতার

এ বছর জুলাইয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে ঠান্ডা যুদ্ধ শুরু হয়েছিল বসুন্ধরার। কিন্তু সেই যুদ্ধ শেষে জেতেন বসুন্ধরাই। উল্লেখ্য, এ বছর ফেব্রুয়ারিতে, রাজস্থানের একটি বিধানসভা এবং দু’টি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। তিনটে আসনেই ভরাডুবি হয় বিজেপির। জিতে যান কংগ্রেস প্রার্থীরা। এর পরেই রাজস্থানের বিজেপি সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় অশোক পরনামিকে। অমিত শাহ চেয়েছিলেন, প্রথম বারের সাংসদ গজেন্দ্র সিংহ শেখাওয়াতকে ওই পদে বসাতে। কিন্তু বসুন্ধরা বিরোধিতা করে যান। ৭৫ দিন নিজের অবস্থানে অনড় ছিলেন বসুন্ধরা। তার পরেই নিজের সিদ্ধান্ত বদল করেন অমিত।

সচিনের কথায়, “বসুন্ধরা বলেন, ‘অমিত শাহ যাঁকে চান, আমি তাকে চাই না।’ সারা দেশের বিজেপির আর কোনো নেতাকর্মীই কিন্তু অমিত শাহের বিরুদ্ধাচরণ করেনি।”

রাজ্য শাসনে অনেক ব্যর্থতা থাকলেও, বসুন্ধরাকে তাঁরা অনেক সম্মান করেন বলে জানান সচিন। তাঁর কথায়, “মানুষ হিসেবে বসুন্ধরাকে আমরা খুব সম্মান করি।”

৭ ডিসেম্বর ভোট দেবে রাজস্থান। জনমত সমীক্ষাকে মিলিয়ে দিয়ে সত্যিই বিজেপি হেরে যায় না কি কোনো ভাবে প্রত্যাবর্তন করে সেটাই এখন দেখার।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here