Sadhvi-Pragya

ওয়েবডেস্ক: ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের দাবি, ২০০১ সালে প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর ছুরি দিয়ে কুপিয়ে এক যুবককে খুন করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, এ ধরনের কোনো নারী কোনো মতেই ‘সাধ্বী’ হতে পারেন না!

প্রজ্ঞাকে মধ্যপ্রদেশের ভোপাল থেকে প্রার্থী করে কি বিজেপি ‘হিন্দুত্বের তাস’ খেলতে চাইছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে ভূপেশ বৃহস্পতিবার টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানান, “প্রজ্ঞা ঠাকুরের সঙ্গে ছত্তীসগঢ়ের একটা পুরনো সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর জামাইবাবু বিলাইগড়ের (বলোদাবাজার জেলা) একটা গুদামঘরে কাজ করতেন “। এ প্রসঙ্গেই প্রায় ১৮ বছরের একটি পুরনো ঘটনার কথা উত্থাপন করেন বাঘেল।

তিনি বলেন, “অতীতে নিজের কাছে ছুরি রাখতেন প্রজ্ঞা। সে সময় ২০০১ সালে বিলাইগড়ে শৈলন্দ্র দেবগণ নামে এক যুবককে ছুরি দিয়ে খুন করেন তিনি। ওই যুবকের বুকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করেন তিনি। প্রথম থেকেই তাঁর আচরণ কোনো ‘সাধ্বী’র মতো নয়, উল্টে বরাবরই তাঁর মধ্যে কোনো দুষ্কৃতীর প্রতিফলন দেখা যেত”।

যদি বাঘেলের এমন গুরুতর অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে মধ্যপ্রদেশে বিজেপির মুখপাত্র হিতেশ বাজপেয়ী জানান, “এ ধরনের কথা বলার সময় নিজের চেতনা হারিয়ে ছিলেন ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী। কোনো বিষয়ে কথা বলার সময় অবশ্যই বোধশক্তি থাকাটা বাঞ্ছনীয়। তিনি যদি নিশর্ত ক্ষমা না-চেয়ে নেন, তা হলে আমরা এ ধরনের মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব”।

প্রসঙ্গত, মালেগাঁও বিস্ফোরণের অন্যতম অভিযুক্ত সাধ্বী প্রজ্ঞা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। ভোপাল থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পেশের পর থেকেই একাধিক বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে নির্বাচন কমিশন নোটিশ পাঠায় তাঁকে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং প্রজ্ঞাকে সামনে রেখে বিরোধীদের আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি প্রজ্ঞার জামিন প্রসঙ্গে বলেছেন, “সাধ্বী প্রাজ্ঞী মালেগাঁও বিস্ফোরণে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। সেটা বললে তো অমেঠি ও রায়বরেলির প্রার্থীরাও জামিনে বাইরে রয়েছেন”।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here