বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে গ্রেফতার, জামিন পেলেন তৃণমূল মুখপাত্র সাকেত গোখলে

0
সাকেত গোখলে। ছবি সৌজন্যে Times Now/ ANI

নয়াদিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) মুখপাত্র সাকেত গোখলেকে (Saket Gokhale) মঙ্গলবার গ্রেফতার করেছিল অমদাবাদ পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে। মোরবি সেতু বিপর্যয়ের ঘটনা (Morbi bridge collapse incident) নিয়ে পোস্ট করা একটি টুইটের কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে জানা যায়।

সোমবার গভীর রাতে রাজস্থানের জয়পুর থেকে সাকেতকে গ্রেফতার করে গুজরাত পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) মোরবি সফর ঘিরে একটি বিতর্কিত টুইটের জেরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গত অক্টোবরে মোরবি সেতু ভেঙে ১৩০ জনেরও বেশি লোক মারা গিয়েছিল। ঘটনাস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘটনা নিয়ে টুইট করেন সাকেত। বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই গুজরাত পুলিশ সাকেতকে গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।

অমদাবাদ সাইবার ক্রাইম সেলের অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার জিতেন্দ্র যাদব সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে বলেছেন, কোভিড পরীক্ষার পরে আনুষ্ঠানিক গ্রেফতার করা হয় সাকেতকে। একজন নাগরিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ জালিয়াতি এবং মানহানির মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

সাকেত গোখলেকে কেন গ্রেফতার?

গুজরাতের মোরবি সেতু বিপর্যয় এবং তার পরে প্রধানমন্ত্রীর মোরবি সফর নিয়ে একটি টুইটের জেরেই এই গ্রেফতারি বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ফ্যাক্ট-চেক ইউনিট সম্প্রতি গোখলের টুইটটি চিহ্নিত করেছে। যেখানে তিনি সংবাদপত্রের ক্লিপিংয়ের মতো দেখতে একটি ছবি শেয়ার করে লেখেন, “আরটিআই প্রকাশ করেছে যে প্রধানমন্ত্রীর মোরবি সফরে ৩০ কোটি খরচ হয়েছে”।

১ ডিসেম্বরের একটি ফ্যাক্ট চেকে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো জানিয়েছে, এ ধরনের দাবি ভুয়ো।

ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন ডেরেক

মঙ্গলবার সকালে একাধিক টুইট বার্তায়, বাংলার ক্ষমতাসীন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, সাকেত গোখলে সোমবার রাতের উড়ানে নয়াদিল্লি থেকে রাজস্থানের জয়পুরে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দরে অবতরণের সঙ্গেই গুজরাত পুলিশ তাঁকে আটক করে।

আরেকটি টুইটে ডেরেক লেখেন, মঙ্গলবার ভোর রাত দু’টো নাগাদ সাকেত তাঁর মাকে ফোন করেছিলেন। জানিয়েছেন, পুলিশ তাঁকে অমদাবাদে নিয়ে যাচ্ছে এবং মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ তিনি অমদাবাদে পৌঁছাবেন। ব্যস এইটুকুই কথা হয়েছে। মাত্র দুই মিনিট তাঁকে ফোন কথা বলতে দিয়েছিলেন পুলিশকর্মীরা। এর পরই তাঁর ফোন এবং অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে নেয় পুলিশ।

গ্রেফতারির ঘটনা উল্লেখ করে টুইটারে ক্ষোভ উগরে দেন ডেরেক। লেখেন, “এ ভাবে তৃণমূল এবং বিরোধীদের কণ্ঠস্বর রোধ করা যাবে না। বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে আলাদা মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে”।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন