সুপ্রিম কোর্টে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন কর্নাটকের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কেরা

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবারেও সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হল না কর্নাটকের বিদ্রোহী বিধায়কদের দায়ের করা মামলার। কর্নাটকের কংগ্রেস-ডেজিএস জোট সরকারের ওই বিধায়কেরা বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে ইস্তফাপত্র দেন বলে দাবি করেন। কিন্তু অধ্যক্ষ কে আর রমেশ কুমার তা গ্রহণ করেননি। যে কারণে তাঁর সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। ওই বিধায়কেরা দাবি করেন, অধ্যক্ষ নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা মাথায় রেখেই তাঁদের ইস্তফাপত্র গ্রহণ করছেন না।

এ দিন সুপ্রিম কোর্ট জানায়, আজ এই মামলার রায় ঘোষণা করা সম্ভব নয়। তবে আগামী বুধবার রায় ঘোষণা হতে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্যে।

এ দিন সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর আইনজীবী বলেন, এই বিধায়কেরা সরকারের স্থিতিশীলতার উপর আঘাত হেনেছেন। অন্য দিকে বিদ্রোহী বিধায়কদের আইনজীবী আদালতকে জানান, তাঁদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করে কুমারস্বামী সরকারকে ভোট দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষ তাঁদের উপর অদৃশ্য চাপ সৃষ্টি করছেন।

যদিও সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বুধবার বিধায়কদের অভিযোগের বিষয়ে রায় দেওয়া হবে। ও দিকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আস্থাভোটের সময় স্থির হয়েছে কর্নাটক বিধানসভায়। বিজনেস অ্যাডভাইজারি কাউন্সিলের বৈঠকে গত সোমবার এই ঘোষণা করেন অধ্যক্ষ। এখন দেখার, আস্থাভোটের এক দিন আগে সুপ্রিম কোর্টের রায় কোন দিকে যায়? সম্ভবত তার উপরও নির্ভর করছে আস্থাভোটের ভাগ্য!

উল্লেখ্য, কর্নাটকে একের পর এক কংগ্রেস এবং জেডিএস বিধায়কের ইস্তফার জেরে টলমল সরকার। বিদ্রোহী বিধায়কদের ইস্তফা গ্রহণ করার ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেননি স্পিকার। তবে মঙ্গলবার সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে স্পিকার যদি ইস্তফা গ্রহণ করেন, তা হলে খাতায় কলমে সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে কর্নাটকের কংগ্রেস-জেডিএস সরকার। কারণ তখন কংগ্রেস এবং জেডিএসের হাতে থাকবে ১০০ বিধায়ক এবং বিজেপির হাতে ১০৫ বিধায়ক।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here