বিক্ষোভ বা প্রতিবাদের প্রকাশ হিসেবে বিরোধীদের কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর ঘটনা ভারতের রাজনীতিতে বহু পরিচিত। কিন্তু নিরাপত্তা কর্মীরা মানবাধিকার কর্মীদের  কুশপুত্তলিকা পোড়াচ্ছেন, এই ঘটনা নিঃসন্দেহে বিরলতম। সোমবার ছত্তিশগড়ের নিরাপত্তা কর্মীরা এমনই কাণ্ড ঘটালেন কোন্ডাগাঁওতে। পোড়ানো হল ৩ জন সমাজকর্মী এবং রাজনৈতিক কর্মী সহ পাঁচজনের কুশপুতুল।

দিন চারেক আগেই সিবিআই শীর্ষ আদালতে জানিয়েছিল, ২০১১ সালে ছত্তিশগড়ের তাড়মেটলা গ্রামে ১৬০ টি ঘর পুড়িয়ে ফেলার ঘটনার পেছনে ছিল নিরাপত্তা বাহিনী এবং সালওয়া জুডুম কর্মীদের হাত। এই ঘটনায় সাতজন স্পেশাল পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে চার্জশিটও দাখিল করেছে সিবিআই।

আরও পড়ুন; মাওবাদীরা নয়, গ্রাম পুড়িয়েছিল পুলিশ ও সালওয়া জুডুম কর্মীরা: সিবিআই

এরপর গত রবিবার বস্তার রেঞ্জের ইন্সপেক্টর জেনারেল এস আর পি কুল্লারি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে ঘোষণা করেন আদিবাসীরা চূড়ান্ত দাবদাহ থেকে বাঁচার জন্য নিজেরাই ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেন। অথচ পুলিশের পক্ষ থেকেই এর আগে এফ আই আর করা হয়, যেখানে স্পষ্টই অভিযোগের তীর ছিল মাওবাদীদের দিকে।

bastar-2

সোমবার সাংবাদিকদের কাছে আসে একটি হোয়াটসআপ মেসেজ, যেখানে উল্লেখ করা হয় বিকেল সোয়া তিনটের সময় নন্দিনী সুন্দর, বেলা ভাটিয়া, মনীশ কুঞ্জম, এবং হিমাংশু কুমারের কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর কথা। সোমবার সারাদিন ধরেই সশস্ত্র বাহিনীর সাহায্যে এর প্রচার চালানো হয় বস্তার অঞ্চলে। কুশপুতুল পোড়ানোর পর গ্রামে গ্রামে ঘুরে শক্তি প্রদর্শনও করে নিরাপত্তা রক্ষীরা।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন