submarine kalvari

কলকাতা: এই মুহূর্তে ভারতের হাতে থাকা আইএনএস কালবরী, বিশ্বের তাবড় প্রথম শ্রেণীর সামরিক ডুবোজাহাজের সঙ্গে টক্কর দিতে পারে। এর বিশেষত্ব এটি সম্পূর্ণ ভাবে অ-পারমাণবিক শক্তি চালিত এবং এর জ্বালানী হিসাবে যেহেতু ডিজেল-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়, তাই জলের নীচে নিশব্দে কাজ সারতে সক্ষম। এই সাবমেরিনে রয়েছে টর্পেডো এবং যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসকারী মিসাইল।

আইএনএস কালবরীর দক্ষতা লাগানো কার্যক্ষমতা চমকে দিয়েছে প্রতিবেশী দেশ চিনকেও। কারণ জলের নীচে ডুবন্ত হোক বা জলপৃষ্ঠে ভাসমান, উভয় অবস্থান থেকেই সমান ভাবে মিসাইল উৎক্ষেপণ করতে পারে এই যুদ্ধজাহাজ।

সাবমেরিন ব্যবহারের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় নৌ সেনা সমুদ্রের নীচে এই প্রাণঘাতী যুদ্ধজাহাজের ফুটেজ প্রকাশ করল। ফ্রান্সের প্রযুক্তিতে নির্মিত কালবরীর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটেছে এ মাসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত দিয়ে।

নৌ-সেনার প্রকাশিত ওই ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে কী ভাবে এই অত্যাধুনিক সাবমেরিন জলের উপর ও নীচে সমান দক্ষতায় কাজ করতে পারে। কী ভাবে বিস্তৃত দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পটু। এর সঞ্চালনার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে ওই ভিডিওতে। কী ভাবে যুদ্ধজাহাজের সঞ্চালকরা নিপুণ হাতে দায়িত্ব পালন করছেন, তা স্পষ্ট ভাবে দেখানো হয়েছে ওই ভিডিওয়।

সব থেকে বিস্ময়কর দৃশ্য, দূর থেকে আগত কোনো লক্ষ্যবস্তুকে দেখে সাবমেরিন সমস্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে ডুবে যাচ্ছে। তার পর জলের নীচ থেকেই সে লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করছে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই মিসাইল ছুঁড়ে সেই লক্ষ্যবস্তুকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত বছর আগস্টে অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদ মাধ্যম আইএনএস কালবরীর তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার সংবাদ পরিবেশন করায় তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অডিও সিগনেচার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য গোপন থাকায় এ বিষয়ে ভারত সরকারকে সে ভাবে বিপাকে পড়তে হয়নি বলে জানা গিয়েছিল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here