গ্রেহাউন্ড ও মাওবাদীদের মধ্যে তীব্র লড়াই। নিহত কমপক্ষে ৬। প্রতীকী ছবি

খবর অনলাইন ডেস্ক: গভীর জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকের লড়াই নয়, মাওবাদীদের সামনেও এখন চিন্তার মূল কারণ করোনাভাইরাস সংক্রমণ। তেলঙ্গানা, ছত্তীসগঢ়, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং ওড়িশায় ছড়িয়ে থাকা রেড করিডরে করোনা সংক্রমণের খাড়া ঝুলছে মাওবাদীদের মাথার উপরেও।

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মারাত্মক প্রভাব

চিকুনগুনিয়া, ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়ার মতো ভেক্টর বাহিত রোগে এর আগে প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েক জন উগ্রবামপন্থী। তবে তাঁদের উপরে কোভিডের প্রভাব পড়ছে সব থেকে মারাত্মক ভাবে। করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ তাদের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র। এই সময়ে বেশ কয়েক জন মাওবাদী নেতা মারাও গিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, কোভিডের কারণে তেলঙ্গানা রাজ্য কমিটির সেক্রেটারি ইয়াপা নারায়ণ ওরফে হরিভূষণ এবং দলের নেতা সিদ্ধাবোইনা সারাক্কা ওরফে ভারতক্কার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এটা হিমশৈলের চূড়ামাত্র!

ভদ্রাদ্রি কোঠাগুডম জেলার পুলিশ সুপার সুনীল দত্ত টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, “করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে এখানে কমপক্ষে আটজন মাওবাদী নেতা ও কর্মী মারা গিয়েছেন”।

সংক্রমণের ভয়ে ক্যাডার ছেড়েছেন অনেকেই!

পুলিশ বলেছে, প্রায় ১৫-২০ জন কোভিড আক্রান্তে অবস্থা গুরুতর, আবার কিছু মাওবাদী ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে ক্যাডার ছেড়ে চলে গিয়েছেন।

নকশাল বিরোধী গোয়েন্দা বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন আধিকারিক টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, “ক্যুরিয়ার বা মিলিশিয়া সদস্যরা জঙ্গলে মাওবাদীদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন, যে কারণে তাঁরাও ভাইরাস সংক্রামিত হয়েছেন”।

গভীর জঙ্গলে চিকিৎসা ব্যবস্থার অভাব, নষ্ট হয়ে যাওয়া খাবার খাওয়া, সাপের কামড় অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে এমনিতেই লড়তে হয় মাওবাদীদের। এখন তারই সঙ্গে গোটা দুনিয়ার মতোই জুড়ে গিয়েছে করোনা!

আরও পড়তে পারেন: কৃষি বাঁচাও গণতন্ত্র বাঁচাও দিবস: কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় কৃষকদের প্রতিবাদ কর্মসূচি

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন