sex-worker-wife1

ওয়েবডেস্ক: হতে পারে এক রোমহর্ষক ক্রাইম থ্রিলার। কারণ বাস্তবের এই ঘটনা হার মানায় বলিউডের কোনো চিত্রনাট্যকেও।

গত সোমবার তার বাড়িতে হানা দিয়েছিল পুলিশ। খবর ছিল ওই বাড়ি আদতে পরিণত হয়েছে পতিতালয়ে। গিয়ে দেখা যায়, চারজন যৌনকর্মী সহ এক খদ্দেরকে নিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছে ফরিদা ভারতী নামের এক চল্লিশোর্ধ্ব মহিলা। ঘটনা এবং প্রমাণ সাপেক্ষে পুলিশ তৎক্ষণাৎ তাকে গ্রেফতার করে।

মুম্বইয়ের বৈসর থানার পুলিশ আধিকারিক কিরণ কাবাডি জানান, সোমবার ফরিদাকে গ্রেফতার করার পর খবর আসে সে শুধু যৌন ব্যবসাই চালায় না। পাশাপাশি একাধিক খুনের ঘটনার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে আছে। এমনকী স্বামী সহদেবকে যে অন্য কেউ নয়, নিজেই খুন করেছে সে তথ্যও থানায় পৌঁছয় মঙ্গলবার রাতে। ফলত পর দিন পুলিশ আবার হানা দেয় গান্ধীপদায় ফরিদার বাড়িতে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে ওই বাড়িতেই গুম করা হয়েছিল সহদেবের লাশ। কিন্তু কোথায়?

sex-worker-wife2

ধুরন্ধর ফরিদা প্রথমে বিশদে মুখ খুলতে না চাইলেও চাপে পড়ে জানায়, স্বামীকে খুন করার পর বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়েছিল সেই লাশ। এরপর পুলিশ সেপটিক ট্যাঙ্ক ভেঙে উদ্ধার করে ১৩ বছর আগের সেই মৃতদেহ, যা এখন কঙ্কাল ছাড়া কিছু নয়।

কীভাবে সে খুন করেছিল সহদেবকে?

ফরিদা জানায়, সহদেব যখন ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল তখন তার মাথায় জোরে আঘাত করে। একবার কঁকিয়ে উঠেই নিথর হয়ে যায় তার শরীর। তারপর সেই লাশটিকে অতি সন্তর্পণে গুম করে ফেলে নিজেরই বাড়ির কোণে সেপটিক ট্যাঙ্কে। কিন্তু কেন করেছিল এই খুন?

সে ব্যাপারে পুলিশ এখনও কিছু জানতে পারেনি। কাবাডি বলেন, তদন্ত চলছে। সে সময় যাঁরা সহদেবের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রয়োজনে তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here