এ বার জনসুরক্ষা আইনে বন্দি হলেন কাশ্মীরের প্রথম আইএএস টপার

0

ওয়েবডেস্ক: ২০০৯ সালে আইএএস পরীক্ষা পাশ করেছিলেন শাহ ফয়জল। শুধু পাশ করাই নয়, প্রথম কাশ্মীরি হিসেবে সেই পরীক্ষায় শীর্ষ স্থানাধিকারীও ছিলেন তিনি। সেই শাহ ফয়জলকেই এ বার বন্দি করা হল জনসুরক্ষা আইনে।

কাশ্মীরের প্রথমসারীর রাজনীতিকদের মতো ফয়জলও গত বছর আগস্ট থেকে বন্দি রয়েছেন। শুক্রবার রাতে তাঁকে একটি চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে কাশ্মীরের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মতো তিনিও জনসুরক্ষা আইনে বন্দি হয়েছেন।

কাশ্মীরের এই কঠোর ধারায় কোনো ব্যক্তিকে কোনো বিচার ছাড়া দু’বছর পর্যন্ত আটকে রাখা যেতে পারে। এতদিন পর্যন্ত এই আইন মূলত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধেই প্রয়োগ করা হত। কিন্তু উপত্যকা থেকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ রদ করে দেওয়ার সময় থেকে তা প্রথমসারীর রাজনীতিকদের বিরুদ্ধেও প্রয়োগ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯-তে আইএএস পাশ করার পর ২০১৮ পর্যন্ত আমলা ছিলেন ফয়জল। এর পর চাকরি ছেড়ে নিজের একটি রাজনৈতিক দলের সূচনা করেন তিনি। নাম দেন জাম্মু-কাশ্মীর পিপলস মুভমেন্ট (জেকেপিএম)।

আরও পড়ুন কংগ্রেসমুক্ত ভারত গড়ার ডাক দেওয়া বিজেপির এক মন্ত্রী বললেন, ‘কংগ্রেস নেই বলে বিজেপি দিল্লিতে হারল!’

২০০২ সালে বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ফয়জলের বাবা। কিন্তু তার পরেও ফয়জল মনে করেন, কাশ্মীরের সমস্যা একমাত্র ভারত আর পাকিস্তান নিজেদের মধ্যে আলোচনার মধ্যে দিয়েই মিটিয়ে নিতে পারে।

গত বছর আগস্ট থেকেই শ্রীনগরের এমএলএ হোস্টেলে বন্দি রয়েছেন ফয়জল। এখন তাঁর বিরুদ্ধেও কঠোর ধারা না হলেও, জায়গা বদল হবে না বলেই জানিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.