মুম্বই: তিনি মুসলিম নন, কিন্তু সকালের আজানে কেন তাঁর ঘুম ভাঙবে? সোমবার টুইটারে এই প্রশ্ন তুলে বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন সনু নিগম। সমর্থন যেমন পেয়েছিলেন, সমালোচনাও হয়েছিল। পরে ওই দিনই আরেকটি টুইটারে মন্দিরের প্রসঙ্গ এনে নিজেকে কিছুটা শোধরানোর চেষ্টা করেছিলেন। মঙ্গলবার ফের টুইট করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন সনু। বুঝিয়ে দিলেন তিনি যে কোনো ধর্মস্থানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের বিরোধী।

সোমবার সকালে আজান নিয়ে নিজের টুইট করার পর অনেকেই সেখানে সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ পেয়েছিলেন, কিন্তু এ দিন সনু টুইটে জানান, “আমি নিজের মতেই স্থির করে রয়েছি যে মন্দির এবং মসজিদ লাউডস্পিকারের জায়গা নয়।” সোমবার সনুর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে কংগ্রেস নেতা আহমেদ পটেল বলেছিলেন, “লাউডস্পিকার জরুরি নয়”। পটেলের সেই মতের সমর্থনে সনু এ দিন লেখেন, “ব্যাপারটা আজান বা আরতি নিয়ে নয়, ব্যাপারটা লাউডস্পিকার নিয়ে।”

সোমবার আজান নিয়ে টুইট করার পাশাপাশি সনু প্রশ্ন করেছিলেন, মহম্মদ ইসলাম ধর্ম আবিষ্কার করার সময়ে তখন কি বিদ্যুৎ ছিল? সেই সঙ্গে তিনি আরও লিখেছিলেন, “মন্দির বা গুরুদ্বার লাউডস্পিকার নিয়ে অন্য ধর্মের মানুষদের ঘুম ভাঙাবে, এই ব্যাপারটা আমি বিশ্বাস করি না।”

সনুর এই বক্তব্যতে অনেকেই সাম্প্রদায়িকতার গন্ধ পান, আবার অনেকেই তাঁকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, শব্দ দূষণ ছড়ানো ছাড়া মন্দির, মসজিদ এবং গির্জায় লাউড স্পিকারের অন্য কোনো অবদান নেই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here