kitchen room
প্রতীকী ছবি, ইন্টারনেট থেকে

ওয়েবডেস্ক: শুনতে বেমানান লাগলেও এটাই বাস্তব!

রসনাবিলাসী মানুষের রান্নায় ছোট এলাচ, গোল মরিচ বা জায়ফল থাকবে না, তা কী করে হয়। আর এই অতিপ্রয়োজনীয় মশলাগুলির সব থেকে বড়ো জোগানদার আজকের বন্যা প্লাবিত কেরল এবং কর্নাটক।

বেসরকারি হিসাবে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ হারিয়েছেন স্থায়ী বাসস্থান। জলের তলায় ডুবে রয়েছে একরের পর একর কৃষি জমি। ২০ হাজার কোটির সম্পদ বিনষ্ট হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বেশ কয়েক মাস সময় লাগবে কেরলের। যে কারণে কেরল থেকে সারা দেশে এমনকী বিদেশেও পাড়ি দেওয়া ওই সমস্ত মশলা এবং কফির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে কী ভাবে, সেই চিন্তায় মগ্ন বণিক মহল। তাদের ধারণা, চাহিদার সঙ্গে জোগানের সামঞ্জস্য না থাকায় বাজারে দাম বাড়তে পারে ওই সমস্ত নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য উপকরণের।

বণিক মহল সূত্রে খবর, বীজ বপণের সময় অপ্রত্যাশিত বৃষ্টির জেরে এই ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসল। এখনই সরাবরাহ অপ্রতুলতার আগাম আশঙ্কায় দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে বেড়ে গিয়েছে এই সমস্ত মশলার দাম। সামনে আছে একাধিক উৎসব। ফলে সে সময় চাহিদা বাড়বে আরও। কিন্তু ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় জোগানে পড়বে টান। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন পাইকারি বাজারে এখনই এই সমস্ত মশলার দামের উপর ২০-২৫ শতাংশ বৃদ্ধি ধরা পড়ছে।


আরও পড়ুন: কেরলের মতো পরিস্থিতি কি কখনও কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গে হতে পারে?

কেরলের স্থানীয় সূত্রে খবর, সে রাজ্যের ইদুকি এবং ওয়ানাদের মতো জেলাগুলিতেই মশলার চাষ বেশি। সাম্প্রতিক বন্যায় সেখানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও উল্লেখযোগ্য। ফলে পুরো জল নেমে না যাওয়া পর্যন্ত যেমন পণ্যবাহী গাড়ি সেখানে ঢোকা সম্ভব নয়, তেমনই পুনরায় বীজ বপণের কাজও আটকে থাকবে বেশ কয়েক সপ্তাহ।


আরও পড়ুন: ফিক্সড ডিপোজিট করার আগে এই ১০ ব্যাঙ্কের সুদের হার দেখে নিন

উল্লেখ্য, দেশের মোট উৎপাদিত মশলার সর্বাধিক জোগানদার যেমন কেরল, তেমনই ৭০ শতাংশ কফি আসে কর্নাটক থেকে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন