ওয়েবডেস্ক: স্পাইক। কোনো পদাতিক সেনা হাতে করে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করে দ্রুত আড়ালে লুকিয়ে পড়তে। ৩-৪ কিলোমিটার দূর থেকে এগিয়ে আসতে থাকা ট্যাঙ্ককে ধ্বংস করতে পারে ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি। ভারতীয় সেনার হাতে এমন ক্ষেপণাস্ত্র যে নেই, তা নয়- কিন্তু সেটা ২ কিলোমিটার পাল্লার। কিন্তু পাকিস্তানের কাছে ৩-৪ কিমি পাল্লার এই ধরনের হাতে ধরা ক্ষেপণাস্ত্র আছে। তাই স্পাইক কিনতে চেয়েছিল ভারতীয় সেনাবাহনী। ইজরায়েলের সঙ্গে চুক্তি হয়েও গেছিল। কিন্তু ডিসেম্বরের শেষের দিকে চুক্তি বাতিল করে দেয় ভারত। কারণ, অনেক দাম। ৫০০ মিলিয়ন ডলার। তারপর রাষ্ট্রপুঞ্জে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ভোটও দেয় ভারত।

বদলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ঠিক করে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ডিআরডিও-কে দিয়েই বানিয়ে নেবে ওই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, চার বছর সময় পেলেই তারা বানিয়ে ফেলবে অমন বিশ্বমানের ক্ষেপণাস্ত্র। কিন্তু বাধ সাধে সেনাবাহিনী। তারা বলে, অতদিন সময় চলে গেলে ভারতের পদাতিক বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই ২০২২ পর্যন্ত তাঁরা অপেক্ষায় নারাজ। সেনাপ্রধান বিপীন রাওয়াত জানিয়ে দেন, এ নিয়ে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনাও চালাচ্ছেন।

এর মধ্যেই ভারত সফরে আসেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বুধাবার গুজরাতে গিয়ে তাঁর সফর শেষ হয়। সফর শে্ষে একটি ৩৫ সেকেন্ডের ভিডিও-বার্তা আপলোড করেন তিনি। তাতে বলেন, “বন্ধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আলোচনার পর ভারত সরকার জানিয়েছে, তারা স্পাইক-চুক্তি পুনর্জীবিত করছে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ রকম আরও বেশ কিছু চুক্তি আগামী দিনে হতে চলেছে”।

 

নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখনও মুখ না খোলা হলেও ইজরায়েল সরকারের সূত্রে জানা গেছে, আগের প্রস্তাবিত দামের প্রায় আর্ধের মূল্যেই ভারতকে স্পাইক বিক্রি করবে ইজরায়েল।

অস্ত্র বিক্রির ব্যবসায় কত লাভ বুঝতে পারছেন তো!!

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন