sridevi

ওয়েবডেস্ক: সোমবার দুপুরের পর থেকেই যখন প্রয়াত নায়িকার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল, তখন থেকেই শুরু হয়েছিল জলঘোলা! কেন না, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে লেখা ছিল- দুর্ঘটনাবশত জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে নায়িকার।

কিন্তু সেই জলে ডোবার জায়গাটি বাথটব বলেই দেখা দিয়েছিল সমস্যা। প্রশ্ন উঠছিল- ৫ ফুট ৬ ইঞ্চির শ্রীদেবী কী ভাবে বাথটবের জলে ডুবে মরতে পারেন!

সারা বিশ্বের নিরিখে যদি বিচার করতে হয়, তা হলে দেখা যাবে বাথটবে ডুবে মৃত্যু এমন কিছু অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। সারা পৃথিবীতে অগুনতি মানুষ এই দুর্ঘটনার কবলে মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছেন এবং হবেনও!

প্রথমে আসা যেতে পরে সেলেব্রিটিদের কথায়। জিম মরিসনকে বাথটবের জলে ডোবা অবস্থাতেই পাওয়া গিয়েছিল। বলা হয়, ড্রাগ ওভারডোজ হয়ে বাথটব থেকে আর উঠতে পারেননি গায়ক।

তেমনই উল্লেখ না করলেই নয় হুইটনি হস্টনের কথা। কেন না, তাঁরও মৃত্যু হয়েছিল ওই বাথটবের জলে ডুবেই। তা-ও আবার ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে। যা শ্রীদেবীর প্রয়াণের খবর পেয়ে দুনিয়াকে নতুন করে মনে করিয়ে দিয়েছেন সিমি গারেওয়াল!

আর যদি সাধারণ মানুষের কথা ধরতে হয়?

তা হলে চোখ রাখা যাক জাপানের দিকে। পরিসংখ্যান বলছে, জাপানে না কি বছরে প্রায় ১৯,০০০ মানুষের বাথটবে ডুবে মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়। এই সমীক্ষা ২০১৭ সালের। সমীক্ষা বলছে, বিগত ১০ বছরে সংখ্যাটা ৭০ শতাংশ বেড়েছে। এবং শ্রীদেবীর মতোই এ ক্ষেত্রে মৃত্যুর শিকার সাধারণত মাঝবয়সি এবং বয়স্ক মানুষরাই!

একই ছবি দেখা যাচ্ছে মার্কিন দেশেও। সমীক্ষার খবর অনুযায়ী, সারা বছরে যত জনের মৃত্যু হয়, তার মধ্যে ১৪ শতাংশই বাথরুম এবং বাথটব থেকে দুর্ঘটনার পরিণামে। এবং মৃতদের মধ্যে পুরুষের তুলনায় স্ত্রীর সংখ্যা বেশি।

এ বার কি তাহলে নায়িকা মৃত্যু-সংবাদের জল্পনায় ইতি টানার সময় এল?

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন