কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের পুরনিগমগুলির বকেয়া ভোট তিন সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এমনকি একই রকম চিন্তাভাবনা করছে রাজ্যের শাসকশিবিরও। এই দাবি নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থও হতে পারে তৃণমূল।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে শুক্রবার ফের রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচন কমপক্ষে চার সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি। এর পর তৃণমূলের তরফেও একই দাবির ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। শুক্রবারই এ নিয়ে কয়েক দফায় আলোচনাও চালিয়েছে শাসক শিবির।

শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কমিশনকে পরামর্শ দিয়েছে, বর্তমান আবহে ভোট চার থেকে ছ’সপ্তাহ পিছনো যায় কি না, তা বিবেচনা করে দেখতে। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, করোনা পরিস্থিতি ভোট করানো যায় কি না, তা ভাবনাচিন্তা করুক কমিশন। কমিশন কী সিদ্ধান্ত নিল, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলকারীদের তা জানানোর নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।

সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন শনিবারই নতুন তারিখ জানিয়ে দিতে পারে। পিছিয়ে ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি করা যায় কি না সে ভাবনাও রয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। তৃ‌ণমূল সূত্রে খবর, শাসকদলও দু’সপ্তাহ ভোট পিছিয়ে দে‌ওয়ার পক্ষে মত দিতে পারে। সেটা হলে ১২ ফেব্রুয়ারি নাগাদ হতে পারে নির্বাচনের পরিবর্তিত তারিখ।

রাজ্যের বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী যাত্রা কিছুটা হলেও বন্ধ হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা এবং হুগলিতে বন্ধ সংক্রমণ নতুন করে বাড়ছে। এখন বেশি চিন্তা দার্জিলিংকে নিয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই সংক্রমণ কমতে শুরু করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ১২ ফেব্রুয়ারি নাগাদ পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়তে পারেন

২৩ হাজারের নীচে থাকল দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যুহারে আরও ধস

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন