Jawaharlal Nehru

এলাহাবাদ: আগামী ২০১৯-এর জানুয়ারিতেই বসছে কুম্ভমেলার আসর। সেজে উঠছে গোটা এলাহাবাদ। স্থানীয় বালসান এলাকার একটি চৌমাথা থেকে সেই সৌন্দর্যায়নের কারণ দেখিয়েই সরিয়ে ফেলা হল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর পূর্ণাবয়ব মূর্তি। গত বৃহস্পতিবার প্রশাসনের কর্তাদের উপস্থিতিতেই ক্রেন দিয়ে সরিয়ে ফেলা হয় ওই মূর্তি। ঘটনায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ উত্তরপ্রদেশের বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস।

কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই এই কাজ করা হয়েছে। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কংগ্রেস পাশে পেয়েছে সমাজবাদী পার্টিকেও। উভয় দল সম্মিলিত ভাবে প্রতিবাদসভার আয়োজন করে। ক্রেন দিয়ে মূর্তি সরানোর কাজে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করা হয় গত বৃহস্পতিবার। যদিও রাজ্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপে যোগী আদিত্যনাথ সরকার মূর্তিটিকে শেষমেশ সরিয়ে ফেলার কাজে সফল হয়।

কংগ্রেসের তরফে অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই একই রাস্তায় রয়েছে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মূর্তি। শহরের সৌন্দর্যায়নে শুধুমাত্র নেহরুর মূর্তিটিই কি প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করছিল? তা না হলে দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মূর্তিটি কেন স্ব-স্থানে রয়ে গেল? আদতে মানুষের মন থেকে নেহরুর আদর্শ মুছে দিতেই এমন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করল বিজেপি সরকার। এ ব্যাপারে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার ডাক দিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।


আরও পড়ুন: বিজয় মাল্যর “মহাপলায়নের” নেপথ্যে ছিলেন কে? স্পষ্ট সিবিআই রিপোর্টে!

অন্য দিকে প্রশাসনিক কর্তারাও নেহরুর মূর্তি অপসারণের বিষয়ে বিশদ তথ্য জানাতে চাননি। তাঁরা শুধু বলেছেন, রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশ মতোই কুম্ভমেলার আগে শহরের সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে। নেহরুর মূর্তিটি যেহেতু চার মাথার মোড়ে ছিল, সে কারণেই রাস্তা চওড়া করার উদ্দেশে মূর্তিটিকে সরিয়ে ফেলা হল।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন