আস্থা ভোটের আগের দিন কর্নাটক মামলায় রায়দান সুপ্রিম কোর্টের

0
Supreme Court
প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: বিদ্রোহী বিধায়কদের পদত্যাগের ব্যাপারে স্পিকারের ওপরে কোনো চাপ সৃষ্টি করল না শীর্ষ আদালত। আদালতের সাফ কথা বিদ্রোহীদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হবে কি না, সেটা একমাত্র স্পিকারই ঠিক করবেন। কর্নাটক মামলায় বুধবার এই রায় দিল তারা।

পাশাপাশি বিদ্রোহীদের পক্ষেও একটি কথা বলেছে আদালত। আস্থাভোটে অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে বিদ্রোহীদের ওপরে কেউ কোনো চাপ সৃষ্টি করা যাবে না বলেও সাফ জানানো হয়েছে আদালতের তরফে। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে সওয়াল-জবাব চলার সময় আদালতে বিদ্রোহীরা জানিয়েছিলেন, তাঁদের পদত্যাগ গ্রহণ করা উচিত স্পিকারের।

আরও পড়ুন হঠাৎ করে ক্রিকেটে মেতে উঠলেন কর্নাটক বিজেপির ‘মেন ম্যান’

উল্লেখ্য, গত দু’সপ্তাহে বিধায়কপদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেন কংগ্রেস এবং জেডিএসের মোট ১৬ জন। পাশাপাশি মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন দুই নির্দল বিধায়ক। তবে সেই পদত্যাগপত্র এখনও গ্রহণ করেননি স্পিকার। এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হলে জোট সরকারের মোট ক্ষমতা ১১৮ থেকে কমে ১০০ হবে এবং কর্নাটক বিধানসভার ম্যাজিক ফিগার ১১৩ থেকে কমে ১০৫ হবে। এই মুহূর্তে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০৫। সেই সঙ্গে দুই নির্দলের সমর্থন পাওয়া গেলে সেটা হবে ১০৭।

এ দিকে স্পিকারের যুক্তি ছিল তিনি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে পারবেন না, কারণ অনেক বিদ্রোহী বিধায়কই বহিষ্কৃত হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে। কোনো বিধায়ক যদি বহিষ্কৃত হন, তা হলে পুনরায় নির্বাচিত হলেও তিনি আর মন্ত্রী হতে পারবেন না। কিন্তু কেউ যদি বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেন, তা হলে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার আগেও মন্ত্রী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না তাঁর। সে ক্ষেত্রে মন্ত্রী হওয়ার ছ’মাসের মধ্যে তাঁকে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে বিধায়ক হতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.