EVM and Supreme Court
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি

ওয়েবডেস্ক: ২১টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের জানানো আবেদনের শুনানিতে ইভিমএমের নিরাপত্তা নিয়ে কমিশনকে নোটিস দিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। ইভিএমে যে ধরনের কারচুপি রোধের আশঙ্কা থেকেই দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ওই ২১টি বিরোধী দল।

সপ্তদশ লোকসভা ভোটে শুরু হতে মাসখানেকেরও কম সময় হাতে রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তার আগেই ইভিএমে ভোটগ্রহণের সুরক্ষা নিয়ে ২১টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়েছিল আবেদন।

ইভিএম-এ ভোট জালিয়াতি বা কারচুপি ঠেকাতেই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল ওই ২১টি রাজনৈতিক দল। আবেদনে বলা হয়েছিল, ভোটগ্রহণে ব্যবহৃত ইভিএমের সমস্ত রকমের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বোচ্চ নির্ণায়ক যোগ্যতা নিয়ে সমস্ত রকমের সন্দেহের অবকাশ কাটাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। একই সঙ্গে ইভিএমের ফলাফলের সঙ্গে ৫০ শতাংশ ভিভিপ্যাট স্লিপ মিলিয়ে দেখার জন্য শীর্ষ আদালতের কাছে দাবি জানান বিরোধীরা।

সেই মামলায় শুনানিতে শুক্রবার নির্বাচন কমিশনকে নোটিস দিল প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া নোটিসে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আদালতকে সহায়তা করার জন্য একজন সিনিয়র অফিসারকে নিয়োগ করতেও বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের কাছে যাওয়া দলগুলির মধ্যে রয়েছে জাতীয় কংগ্রেস, চন্দ্রবাবু নায়ডুর তেলুগু দেশম পার্টি, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি, অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি-সহ ২১টি বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দল।

[ আরও পড়ুন: জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের বিরুদ্ধে বড়োসড়ো পদক্ষেপ নিল ফ্রান্স ]

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটের পর থেকেই ইভিএমে জালিয়াতি নিয়ে অভিযোগ জোরালো হতে শুরু করে। দাবি করা হয়, ইভিএমেও জালিয়াতি করা সম্ভব। এ বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে উদাহরণ-সহ প্রমাণও তুলে ধরা হয়। উত্তরপ্রদেশের বহুজন সমাজ পার্টি নেত্রী মায়াবতী এবং পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অনেকেই দাবি করেন, ভোটগ্রহণের জন্য ইভিএমের পরিবর্তে ব্যালট পেপার ফিরিয়ে নিয়ে আসা হোক। যদিও এ বারের লোকসভা ভোট যে ইভিএমেই হবে, সে কথা গত রবিবার জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here