প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা
প্রধান বিচারপতি এনভি রমনা। প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: টেলিভশনের বিতর্ক এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে ‘ক্যাঙারু আদালত’গুলি দেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। শনিবার এমনটাই মন্তব্য ভারতের প্রধান বিচারপতি এনভি রমনার। তাদের এ ধরনের আচরণকে “পক্ষপাতদুষ্ট”, “অসৎ” এবং “এজেন্ডা-চালিত” বলে কড়া সমালোচনা করলেন প্রধান বিচারপতি।

কয়েক সপ্তাহ আগেই বিজেপির বরখাস্ত মুখপাত্র নূপুর শর্মার মন্তব্য নিয়ে আদালতের প্রতিক্রিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, সারা দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল বিজেপি নেত্রীর মন্তব্য। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতের মন্তব্যকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করে সমালোচনায় নেমে পড়ে একাংশ। তার পর প্রধান বিচারপতির এ দিনের মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

রাঁচিতে একটি একাডেমিক ইভেন্টে বক্তৃতা করার সময় বিচারপতি রমনা বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচারকদের বিরুদ্ধে সমন্বিত প্রচার চলছে। বিচারকরা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন না। দয়া করে এটাকে দুর্বলতা বা অসহায়ত্ব বলে ভুল করবেন না”।

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “এটা ঠিক, নতুন মিডিয়া সরঞ্জামগুলির প্রচুর ক্ষমতা রয়েছে। তবে কোনটা সঠিক, কোনটা ভুল অথবা ভালো-মন্দ ও আসল-নকলের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম বলে মনে হচ্ছে সেগুলো”।

তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “কোনো মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মিডিয়া ট্রায়াল কোনো ভাবেই পথপ্রদর্শক হতে পারে না। আমরা মিডিয়াকে ক্যাঙারু কোর্ট চালাতে দেখি, কিন্তু অনেক সময় সমস্যার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ বিচারকদের কাছেও সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়”।

এ সবই অজ্ঞতা এবং এজেন্ডা-চালিত বলে দাবি করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এটা গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক প্রমাণিত হচ্ছে। দেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যা যথেষ্ট।

আরও পড়তে পারেন:

টাকা গোনা শেষ! কী কী পাওয়া গেল পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতার ফ্ল্যাটে

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হতে পারে: সূত্র

এক মঞ্চে মমতা-অর্পিতা, পুরনো ভিডিও প্রকাশ করল বিজেপি

২৭ ঘণ্টা ধরে টানা জিজ্ঞাসাবাদ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করল ইডি

পার্থ-ঘনিষ্ঠের বাড়িতে কোটি কোটি টাকা, তা কি ঘুষের?

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন