নয়াদিল্লি: তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালত অবমাননার। ইতিমধ্যে শীর্ষ আদালত ঘোষণা করেছে ৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে বিচারপতি সিএস কারনান যা কিছু রায় দিয়েছেন, তা বৈধ নয়। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ডেকে পাঠানো সত্ত্বেও  আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। এই দিন কারনানের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। ইতিমধ্যে বিচারপতি কারনানও পালটা হুমকি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন; এই প্রথম আদালত অবমাননার অভিযোগে হাইকোর্টের বিচারপতিকে নোটিশ শীর্ষ আদালতের

আগামী ৪ মে কারনানের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে কলকাতার এক সরকারি হাসপাতালে। সেই উদ্দেশ্যে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডকে সাহায্য করার জন্য রাজ্যের ডিজিপি-কে পুলিশের একটি দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কারনানের মানসিক স্থিতি সম্পর্কে ৮ মে-র মধ্যে যাবতীয় রিপোর্ট চেয়েছে প্রধান বিচারপতি সহ শীর্ষ আদালতের সাত বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিচারপতি কারনান জানিয়ে দিয়েছেন, জোর করে তাঁর মেডিক্যাল চেক আপের ব্যবস্থা হলে তিনি রাজ্যের ডিজিপি-র বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত সাসপেনশন অর্ডার জারি করবেন। এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আমার কাছে আসার আগে, নয়াদিল্লির ডিজিপি সাত জন অভিযুক্ত বিচারপতিকে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সাইকিয়াট্রিক মেডিক্যাল বোর্ডের কাছে হাজির করেন।”

আরও পড়ুন; ক্ষমা চাইবেন না, ক্ষমতা থাকলে আদালত তাঁকে জেলে পাঠাক, বললেন বিচারপতি কারনান

আগামী জুনেই অবসর নিচ্ছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সিএস কারনান। কিন্তু শীর্ষ আদালতের নির্দেশানুসারে গত ৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে কারনানের দেওয়া যাবতীয় রায় আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানাকে ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছেন বিচারপতি কারনান। দলিত শ্রেণির প্রতিনিধি হওয়ায় তাঁকে অযথা হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here