supreme court

নয়াদিল্লি: সরকারি কর্মক্ষেত্রে তফশিলি জাতি ও উপজাতির শ্রেণির পদোন্নতিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত মামলায় ২০০৬ সালের রায়ের উপর অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ জারির আবেদন প্রত্যাখান করল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি এ এম খানউইলকর, বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ জানায়, ২০০৬ সালের এম নাগরাজ মামলার বিবেচনার জন্য সাত সদস্যদের সাংবিধানিক বেঞ্চের প্রয়োজন রয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল আদালতের কা্ছে আবেদন করেন, যত দ্রুত সম্ভব ওই বেঞ্চ গঠন করে মামলাটির নিষ্পত্তি করা হোক। কারণ বিভ্রান্তির শিকার হয়ে রেলের মতো বেশ কয়েকটি বৃহৎ ক্ষেত্রে কয়েক লক্ষ কর্মী নিয়োগ থমকে রয়েছে। পাশাপাশি আটকে রয়েছে একাধিক সরকারি ঘোষণা।

সর্বোচ্চ আদালত জানায়, ইতিমধ্যে সাংবিধানিক বেঞ্চ বেশ কয়েকটি বিষয়কে আয়ত্তের মধ্যে নিয়ে এসেছে। তবে প্রাথমিক ভাবে সিদ্ধান্তে আসতে আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নাগরাজ মামলার রায়ের আগেই এ বিষয়ে একাধিক রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত-সহ হাইকোর্টগুলি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেই রায়গুলির মধ্যে সংঘাতেরও সম্ভাবনা রয়েছে। ১৯৯২ সালের মণ্ডল কমিশন রায়ে পাঁচ বছরের জন্য সংরক্ষণের ভিত্তিতে পদোন্নতিতে ছাড়পত্র দেয়। একই ভাবে ২০০৫ সালে ই ভি চেন্নাইয়া বনাম অন্ধপ্রদেশ সরকারের মামলার রায়ে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্যও ছাড় দেওয়ার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়। গত ২০০৬ সালে এম নাগরাজ মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল ‘সুবিধাভোগী’ শব্দটি তফসিলি জাতি এবং উপজাতিদের ক্ষেত্রে খাটে না। ২০১৭-র ১৫ নভেম্বর ১১ বছরের পুরনো নাগরাজ মামলার রায় পুনর্বিবেচনার কথা জানানো হয়। তখনই বিষয়টি সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানো হয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here