Connect with us

দেশ

কাশ্মীরিদের হেনস্থা রুখতে কেন্দ্র-রাজ্যকে কড়া নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

নয়াদিল্লি: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী কাশ্মীরিদের কোনো ভাবে হেনস্থা করা যাবে না। এই ব্যাপারে কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলিকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

কাশ্মীরিরা যাতে কোনো ভাবে সামাজিক বয়কট বা আক্রমণের শিকার না হন, সেই দিকটা দেখার নির্দেশ কেন্দ্রের পাশাপাশি দশটি রাজ্যকে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই দশটি রাজ্য হল, কাশ্মীর, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মেঘালয়, ছত্তীসগঢ়, পশ্চিমবঙ্গ, পঞ্জাব এবং মহারাষ্ট্র।

পুলওয়ামা হামলার পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হামলার শিকার হচ্ছেন কাশ্মীরিরা। এই নিয়েই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন আইনজীবী তারিক আজিব।

কাশ্মীরিদের ওপরে হামলার পাশাপাশি মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত রায়ের একটি টুইটেও দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য আবেদন করেন তিনি। বিতর্কিত সেই টুইটে কাশ্মীরকে সামাজিক ভাবে বয়কট করার ডাক দিয়েছিলেন তথাগতবাবু।

এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এ দিনের কড়া নির্দেশ দিল প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ।

উল্লখ্য, স্বঘোষিত গোরক্ষকদের তাণ্ডব থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য গত বছর রাজ্যগুলিকে নোডাল অফিসার নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। সেই অফিসারদের ওপরেই নতুন দায়িত্ব দিয়েছে আদালত। কাশ্মীরিরা যাতে কোনো ভাবে হামলার শিকার না হন, সেটা দেখার দায়িত্ব এই অফিসারদের।

সেই সঙ্গে নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, “কাশ্মীরিদের যে হেনস্থা ব হামলা করবে তাদের বিরুদ্ধে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্যগুলির মুখ্যসচিব, ডিজিপি এবং দিল্লির পুলিশ কমিশনারের ওপর বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।”

এই নির্দেশের পরে আদালতের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে টুইট করেছেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ।

আরও পড়ুন হেনস্থার শিকার কাশ্মীরিদের পাশে থাকার বার্তা, ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন চালু সিআরপিএফের

কাশ্মীরিদের ওপরে হামলা আটকাতে সব থেকে প্রথমে এগিয়ে এসেছে সিআরপিএফই। ২৪ ঘণ্টার একটি হেল্পলাইন চালু করেছে তারা। কাশ্মীরিরা কোথাও হেনস্থার শিকার হলে, সেই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারে বলে জানিয়েছে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী।

পাশাপাশি কাশ্মীরিদের আক্রমণ করলে কড়া শাস্তির হুমকি দিয়েছে কেন্দ্রও। তবুও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাশ্মীরিদের ওপরে হামলা লেগেই রয়েছে।

দেশ

‘বিস্তারবাদ’ অতীত, বিশ্বে এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, লাদাখ থেকে চিনকে হঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

আমরা যেমন বংশীধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজো করি, তেমনই সুদর্শন চক্রধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজোও করি, লাদাখে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ওয়েবডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার মাঝেই আচমকা লাদাখ সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেনাবাহিনীর উদ্দেশে বক্তব্য় রাখেন। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে ‘বিস্তারবাদ’ এখন মুছে গিয়েছে। এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক। সারা প‌ৃথিবী এখন বিস্তারবাদী শক্তির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করছে।

চিনের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে মোদী বলেন, “এখন বিকাশবাদের যুগ। ইতিহাস সাক্ষী, বিস্তারবাদীরা মুছে গিয়েছে। বিশ্বে শান্তি বিঘ্নিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে বিস্তারবাদীরা। কিন্তু প্রতিবারই তাদের পরাস্ত হতে চেয়েছে। কারণ, সারা বিশ্ব তাদের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়ছে”।

সেনার মনোবল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গলওয়ান উপত্যকায় আপনারা যে বীরত্ব দেখিয়েছেন, তা সারা দেশ স্মরণে রাখবে। সারা বিশ্ব দেখেছে আপনাদের বীরত্ব এবং ক্রোধ। আপনাদের বীরত্বের জন্যই সারা দেশ সুরক্ষিত। শান্তির জন্য় যে শক্তি চাই, সেটাই আপানারা দেখিয়ে দিয়েছেন। আপনাদের সংকল্প এই উপত্য়কার থেকেও শক্ত, আপনাদের ইচ্ছাশক্তি এই পর্বতের মতোই অটল”।

একই সঙ্গে নাম না করে প্রধানমন্ত্রী চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “গলওয়ান উপত্যকা আমাদেরই। লাদাখ ভারতের মুকুট। ভারত সব সময়ই শান্তির কথা বলে। কিন্তু আমরা যেমন বংশীধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজো করি, তেমনই সুদর্শন চক্রধারী শ্রীকৃষ্ণের পুজোও করি। আমরা হাতিয়ার ধরতে জানি। ভারতের শত্রুতা সেনার শক্তি দেখেছে”।

সেনার সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “ আমরা সবাই মিলে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলব। আপনার আত্মত্যাগের মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারত আরও দৃঢ় হবে। আপনাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরা আরও কঠিন চ্য়ালেঞ্জের মোকাবিলা করব”।

লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় চিনা বাহিনীর মুখোমুখি হওয়া ভারতীয় জওয়ানদের সাহসিকতার প্রশংসা করে মোদী বলেন, “১৪ কোরের বীরত্বের কাহিনী সবাই জানে। আপনার বীরত্ব ও বীরত্বের কাহিনি দেশের প্রতিটি বাড়িতে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে”। একই সঙ্গে এ দিন তিনি আরও একবার ওই সংঘর্ষে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

চিনের প্রতিক্রিয়া

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ন বলেন, “ভারত ও চিন সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস করার বিষয়ে যোগাযোগ এবং আলোচনা চালাচ্ছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপে কোনো পক্ষেরই জড়ানো উচিত নয়”।

Continue Reading

দেশ

এক মাসে ভারত-বাংলাদেশ পণ্যবাহী শতাধিক ট্রেন চলেছে

ঋদি হক: ঢাকা

করোনা-প্রার্দুভাব ও লকডাউনের কারণে ভারত-বাংলাদেশ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। ইদানীং সেই বাণিজ্য অবশ্য চালু হয়েছে। তবে এরই মধ্যে রেলপথে পণ্য পরিবহনের প্রস্তাব দেয় ভারত। ভারতের সেই প্রস্তাবকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ।

এর পর জুন মাসের গোড়া থেকেই দু’ দেশের মধ্যে রেলপথে পণ্য পরিবহণ শুরু হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে ও ভারতীয় রেলের ব্যবস্থাপনায় পণ্যবাহী ট্রেনগুলো চলাচল করেছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র জানায়, এক মাসে ভারতীয় রেলের  ১০৩টি পণ্যবাহী ট্রেন পেঁয়াজ, আদা, মরিচ, ভুট্টা, হলুদ, ধানের বীজ, চিনি ইত্যাদি নিত্যপণ্য বাংলাদেশে সরবরাহ করেছে। করোনা মহামারিজনিত পরিস্থিতিতে লকডাউনের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে ট্রেনে পণ্য আনা-নেওয়া বেড়েছে। দুই দেশের রেলপথে এক মাসে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রেন চলা একটা রেকর্ড।

ট্রেনে পণ্য সরবরাহের সাফল্য দেখে বাংলাদেশ রেলওয়ে দু’ দেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেন অর্থাৎ পার্সেল ট্রেন সেবা চালুর অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে মালগাড়িপ্রতি ২৩৮ মেট্রিক টন পণ্য পরিবাহিত হবে।

আরও পড়ুন: চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে শুরু হল ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য

সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ একাধিক ভিডিও কনফারেন্সে বাংলাদেশের রেল মন্ত্রক, এনবিআর (ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভেনিউ) ও বাণিজ্য মন্ত্রককে দুই দেশের মধ্যে ট্রেনে পণ্য আনা-নেওয়া সহজীকরণের ব্যাপারে অনুরোধ জানান। আলোচনার পরে এখন এনবিআর ও বাংলাদেশ রেলওয়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে কনটেনার ট্রেন সেবা সহজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

Continue Reading

দেশ

কোভিড-১৯: হোম আইসোলেশনের নতুন নিয়ম জারি করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

হালকা অথবা প্রাক-লক্ষণজনিত করোনাভাইরাস সংক্রমণ-সহ তালিকার মধ্যে উপসর্গহীন পজিটিভ রোগীদের অন্তর্ভুক্ত করেই এই সংশোধিত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

নয়াদিল্লি: নমুনা পরীক্ষার আগে পর্যন্ত একটি বৃহত্তর অংশের কোভিড-১৯ (Covid-19) রোগীর মধ্যে কোনো উপসর্গের দেখা মিলছে না। এ বিষয়টিকেই বিবেচনায় রেখে হোম আইসোলেশনের সংশোধিত নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। হালকা অথবা প্রাক-লক্ষণজনিত করোনাভাইরাস সংক্রমণ-সহ তালিকার মধ্যে উপসর্গহীন পজিটিভ রোগীদের অন্তর্ভুক্ত করেই এই সংশোধিত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে অনাক্রম্যতা (যেমন এইচআইভি, প্রতিস্থাপন করা হয়েছে বা ক্য়ানসারের চিকিৎসা চলছে) অথবা কো-মর্বিডিটি রোগীরা হোম আইসোলেশনের উপযুক্ত নন।

অন্য দিকে ৬০ বছরের বেশি বয়সি বয়স্ক রোগী, যাঁরা উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুস / যকৃত / কিডনির রোগ এবং সেরিব্রো-ভাস্কুলার রোগের মতো অন্য রোগে ভুগছেন তাঁদের হোম আইসোলেশনের অনুমতি দেওয়া। সে ক্ষেত্রে তাঁদের সম্পূর্ণ ভাবে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পরই চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁদের হোম আইসোলেশনের ক্ষেত্রে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সে ক্ষেত্রে উপসর্গের সূত্রপাত হওয়ার পর থেকে ১০ দিন বাদে রোগীকে হোম আইসোলেশন থেকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে। হোম আইসোলেশন থেকে ছাড়া পাওয়ার পর রোগীর স্বাস্থ্যের উপর পরবর্তী সাত দিন নজর রাখতে হবে। হোম আইসোলেশন পর্ব শেষ হওয়ার‌ পর সুস্থ হয়ে গেলে আর নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই।

যা নিশ্চিত করতে হবে

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রাক অথবা মৃদু উপসর্গের রোগীদের মতোই উপসর্গহীন রোগীকেও হোম আইসোলেশনের ব্যাপারে একটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। রোগীর জন্য যেন পৃথক ঘর থাকে। তিনি যেন পরিবারের অন্য সদস্যদের ‌সংস্পর্শে না আসেন।

নির্দেশিকা অনুসারে, রোগীর ২৪x৭ ভিত্তিতে যত্ন নেওয়ার জন্য একজনকে অবশ্যই থাকতে হবে এবং হোম আইসোলেশনের সময়কালে চিকিৎসক অথবা হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা বাধ্যতামূলক।

চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রোগীর যত্ন নেওয়া ব্যক্তি এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিতে হবে। রোগীদের স্বাস্থ্যের উপর নজরদারি নিরবচ্ছিন্ন ভাবে করা উচিত এবং নিয়মিত ভাবে জেলা প্রশাসনকে স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি অবহিত করা উচিত। যা নজরদারি চালানো প্রতিনিধিদের আরও ফলোআপ করতে সহায়তা করবে।

দেশে করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি

শুক্রবার স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানা, ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৪৪। এর মধ্যে সুস্থতার হারই পৌঁছে গিয়েছে ৬০.৭৯ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৯২ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

Continue Reading
Advertisement
দেশ37 seconds ago

‘বিস্তারবাদ’ অতীত, বিশ্বে এখন ‘বিকাশবাদ’ প্রাসঙ্গিক, লাদাখ থেকে চিনকে হঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর

gst
শিল্প-বাণিজ্য45 mins ago

জিএসটি-তে বড়োসড়ো স্বস্তি, কমল জরিমানা

দেশ1 hour ago

এক মাসে ভারত-বাংলাদেশ পণ্যবাহী শতাধিক ট্রেন চলেছে

thunderstorm
রাজ্য1 hour ago

কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা

বিদেশ2 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর লাদাখ সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চিনের প্রতিক্রিয়া

দেশ2 hours ago

কোভিড-১৯: হোম আইসোলেশনের নতুন নিয়ম জারি করল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

দেশ4 hours ago

চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে শুরু হল ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য

দেশ5 hours ago

আচমকা লাদাখ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সেনার সঙ্গে বৈঠক

দেশ6 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২০,৯০৩, সুস্থ ২০,০৩২

ক্রিকেট2 days ago

আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর, এ বার কি সৌরভ?

DIY
ঘরদোর3 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

ক্রিকেট3 days ago

বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে আসন্ন টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে থাকছে ‘ব্ল্যাক লাইভ্‌স ম্যাটার’

বিজ্ঞান2 days ago

কোভাক্সিন কী? জেনে নিন বিস্তারিত

LPG
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

পর পর দু’মাস বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম

দেশ2 days ago

ভারতে রোগীবৃদ্ধির হার কমল অনেকটাই, সুস্থতার হার ৬০ শতাংশের কাছাকাছি

ক্রিকেট2 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ফাইনালে খেলা ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদ শ্রীলঙ্কা পুলিশের

নজরে