taslima nasreen

ওয়েবডেস্ক: মৃত্যু না হত্যা না আত্মহত্যা- কোন শব্দটি সঠিক ভাবে প্রযোজ্য শ্রীদেবীর প্রয়াণ সম্পর্কে- তা এখনও জানা যাচ্ছে না। শুধু জটিলতা বাড়ছে বই কমছে না। বিতর্ক উঠছে ময়নাতদন্তে উল্লিখিত দুর্ঘটনাবশত ডুবে মৃত্যু বয়ান নিয়েও।

এর মাঝেই শ্রীদেবীর মৃত্যু নিয়ে দুটি টুইট করে ফের সমর্থন এবং সমালোচনার কাঠগড়ায় এসে দাঁড়ালেন বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন। প্রথম টুইটটি লেখিকা করেছিলেন সোমবার সকাল ৯টা ১১ মিনিটে। টুইটে তিনি লিখেছিলেন- “শ্রীদেবীর দেহ জলভর্তি বাথটবে আবিষ্কৃত হয়েছে। আশা করছি, এ হত্যা অথবা আত্মহত্যা নয়”।

তার পরেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে টুইটারেতিদের বিক্ষোভের কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছেন লেখিকা। সবারই এক বক্তব্য- অনর্থক বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা করছেন লেখিকা নায়িকার প্রয়াণের ঘটনা নিয়ে।

‘বুদ্ধিজীবীদের এই এক সমস্যা- যেখানে কোনো রহস্যই নেই, সেখানেও তাঁরা রহস্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন’, তসলিমার টুইটকে ব্যঙ্গ করে লিখেছেন জনৈক টুইটারেতি। সেই টুইটকে সমর্থন জানিয়ে আরেকজন আবার তসলিমাকে বুদ্ধিজীবী আখ্যাও দিতে চাননি, তকমা দিয়েছেন স্রেফ ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ হিসাবে। তসলিমার উদ্দেশে প্রশ্ন তুলছেন টুইটারেতিরা- “কোথায় লেখা আছে যে জলভর্তি বাথটবের মধ্যে কারও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে না”?

তবে সব টুইটের স্বর যে নম্র- তা বলা যায় না। কেউ কেউ সরাসরি বলছেন কটূ ভাষায়- ‘আপনি কি উন্মাদ হয়ে গিয়েছেন’? কেউ বা আবার আরও এক ধাপ এগিয়ে মন্তব্য করেছেন- “এই মহাশয়াকে নিজের দেশ থেকে তাড়ানো হয়েছে বলে ওঁর মাথার ঠিক নেই… এখানে এমন লোকেদের আশ্রম রয়েছে”!

তবে সমালোচনার মুখে চুপ করে থাকার নাম তসলিমা নাসরিন নয়! তাই বিকেল ৪টে ১৫ মিনিট নাগাদ ময়নাতদন্তে উল্লিখিত মৃত্যুর কারণ তুলে ফের টুইট করেছেন লেখিকা- ‘সুস্থ একজন প্রাপ্তবয়স্ক দুর্ঘটনাবশত বাথটবে ডুবতে পারেন না’!

আর এই জায়গা থেকে পরিমাণে অল্প হলেও জনসমর্থন পেয়েছেন লেখিকা। কী বলছেন তাঁর সমর্থনে সবাই- টুইট থেকেই পড়ে নিন না!

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন