প্রতীকী ছবি: স্ক্রল ডট ইন থেকে

ওয়েবডেস্ক: অপ্রকাশিত বিদেশি আয় ও সম্পদ রাখার অভিযোগে এই বছরের শুরুর দিকে আয়কর বিভাগ রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির স্ত্রী এবং তাঁদের তিন সন্তানের বিরুদ্ধে নোটিশ দিয়েছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মার্চ মাসে আয়কর বিভাগ মুকেশ অম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানি এবং তাঁদের তিন সন্তানের বিরুদ্ধে “অঘোষিত বিদেশি আয় এবং সম্পদ”-এর অভিযোগে নোটিশ দিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছেন যে, অম্বানিরা ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট এবং এর “অন্তর্নিহিত সংস্থা” কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ-ভিত্তিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার কোম্পানির হোল্ডিংস প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন, যেখানে তাঁরা “চূড়ান্ত সুবিধাভোগী” ছিলেন।

দেশের বিভিন্ন এজেন্সিগুলির তথ্যের সাহায্যে তদন্ত শেষে ‘ব্ল্যাক মানি অ্যাক্ট, ২০১৫’-এর অধীনে নীতা অম্বানি, অনন্ত অম্বানি, আকাশ অম্বানি এবং ইশা অম্বানিকে ২৮ মার্চ নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে পত্রিকাটি জানিয়েছে।

নোটিশ এবং অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে রিলায়েন্সের এক মুখপাত্র ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, “আমরা আপনার ইমেলের সমস্ত বিষয়বস্তুকে এবং এ জাতীয় কোনও নোটিশ প্রাপ্তি-সহ যাবতীয় বিষয়গুলি অস্বীকার করছি”।

জানা গিয়েছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি দিনাঙ্কিত আয়কর তদন্ত প্রতিবেদন এবং ২৮ মার্চ প্রেরিত নোটিশগুলিতে বলা হয়েছে, ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্টের অধীনে থাকা ১৪টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে একটির “চূড়ান্ত সুবিধাভোগী” হিসাবে অম্বানি পরিবারের সদস্যদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল।

আয়কর বিভাগ অভিযোগ করেছে, যে অম্বানিরা ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট এবং কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ-ভিত্তিক একটি মালিকানাধীন একটি সংস্থায় তাঁদের বিশদ তথ্য এবং হোল্ডিংগুলি প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, এই হোল্ডিংগুলির “চূড়ান্ত সুবিধাভোগী” অম্বানিরা। কেম্যান দ্বীপপুঞ্জকে কর ফাঁকির আশ্রয়স্থল হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন