ওয়েবডেস্ক: শিক্ষাজীবনে হোমওয়ার্ক মানেই কারও কারও কাছে আতঙ্কের। বহু আলোচিত এবং আলোড়িত এই বিষয়টি নিয়ে প্রায় প্রত্যেকের স্মৃতিতেই জড়িয়ে থাকে হরেক রঙের ঘটনা। নিয়মিত হোমওয়ার্ক করার সুবাদে যেমন শিক্ষকের কাছে প্রসংশা আদায় করে নেওয়া সহজ তেমনই না করে নিয়ে যাওয়ার জন্য ক্লাসময় সহপাঠীর সামনে তিরস্কৃত হওয়ার ঘটনাও স্বাভাবিক। এখন অবশ্য, নির্দিষ্ট একটা স্তর পর্যন্ত হোমওয়ার্ক সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ হয়েছে। তবে হোমওয়ার্ক না করার অজুহাতের তালিকা শেষ হওয়ার নয়। তার মধ্যে থেকেই মজার পাঁচটিকে তুলে ধরা হল।

ভিজে গেছে

Teachers

বর্ষার সময় হলে এই অজুহাত বেশ খাপ খেয়ে যায়। স্কুল থেকে ফিরতে গিয়ে বই-খাতা সব বিজে গেছে। ফলে হোমওয়ার্ক করা সম্ভব হয়নি। আবার এমনটাও বলতে শোনা যায়, করেছিলাম তো, জলে ভিজে সব একাকার হয়ে গেছে।

বই ধার দিয়েছিলাম

Teachers

“আমার পাশের বাড়ির বন্ধু একই ক্লাসে পড়ে। কিন্তু তার বই নেই। সে আমাকে বইটা চেয়েছিল। কী করব তাকে বইটা দিতে গিয়ে আমার হোমওয়ার্কটাই করা হল না”। সত্যিই তাই, অন্যের অসহায়তায় নিজের হাত বাড়িয়ে দেওয়াও তো একটা বড়ো শিক্ষা।

ভুল করে

Teachers

“আমাদের খাতার মলাটগুলো একই রকমের। দাদা/দিদি ভুল করে নিজের ভেবে আমার খাতাটা নিয়ে কোচিংয়ে চলে গিয়েছিল। আমি তাই হোমওয়ার্কটাই করতে পারলাম না”।

কুকুরে খেয়েছে

Teachers

“স্কুলের ব্যাগ থেকে বই-খাতা বের করে সবে হোমওয়ার্ক করতে বসেছি। ওমনি আমাদের পোষা কুকুরটা খাতাটাকে চিবিয়ে ফেলল। ছিঁড়ে কুটিকুটি করে দিল। হোমওয়ার্ক করেও তাই দেখাতে পারলাম না”।

ল্যাপটপের চার্জার

Teachers

উচ্চতর শিক্ষায় হোমওয়ার্কে লাগে ল্যাপটপ। ফলে সেটা নিয়েও অজুহাত খাঁড়া করা যায় সহজেই। যেমন, “গতকাল ক্লাসে ল্যাপটপের চার্জার ফেলে গিয়েছিলাম। বাড়িতে গিয়ে হোমওয়ার্ক করলাম, ওমনি চার্জ শেষ। সেভ করার আগেই ল্যাপটপ গেল বন্ধ হয়ে”।

বি. দ্র.-অনুকরণ করা নিজের পক্ষেই ক্ষতিকর। সমস্ত ছবি প্রতীকী

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন